০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি সৌদির

❖স্থবির যুদ্ধবিরতি আলোচনা, নিহত বেড়ে ৩৭৮৩৪
❖ যুদ্ধবিরতির দাবিতে লাখো ইসরায়েলির বিক্ষোভ
❖ ইসরায়েলের কাছে কেয়ামত নামানোর মতো অস্ত্র আছে : ইয়ের কাটজ

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বর্বরতায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৮৩৪ জনে। একই সময় অন্তত ৮৬ হাজার ৮৫৮ জন আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। কারণ, উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। এদিকে, গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল ভূখণ্ডটিতে নৃশংস হামলা অব্যাহত রেখেছে। ফলে লাখ লাখ মানুষ চরম বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

এদিকে ফিলিস্তিনে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপন বাড়িয়েছে ইসরায়েল। এ সিদ্ধান্ত নিলে ইসরায়েলকে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ভোগ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরব। গত শনিবার এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দেয় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সৌদি প্রেস এজেন্সি প্রচারিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, সৌদি আরব আন্তর্জাতিক আইনের চলমান ইসরায়েলি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আপত্তি জানাচ্ছে। যদি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা চালিয়ে যায়, তবে এর ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের কট্টরপন্থি অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, তার সরকার পশ্চিম তীরের বসতি সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের কার্যক্রমের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনায় কোনো ধরনের অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন লেবাননে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস নেতা ওসামা হামদান। এদিকে জিম্মিদের রক্ষা এবং এ নিয়ে চুক্তি সইয়ের দাবিতে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে গত শনিবার লক্ষাধিক মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। একই সঙ্গে তারা দেশটিতে আগাম নির্বাচন দেওয়ারও দাবি করেছেন। এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি নিয়ে দুই পক্ষকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো। এই অচলাবস্থার জন্য ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরকে দায়ী করছে। হামাস বলছে, যেকোনো ধরনের চুক্তিতে অবশ্যই যুদ্ধ বন্ধ এবং ইসরায়েলি সেনাদের পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়টি থাকতে হবে। অন্যদিকে হামাসকে নির্মূল না করা পর্যন্ত শুধু সাময়িক অস্ত্রবিরতি মেনে নেওয়ার কথা বলছে ইসরায়েল। ২০০৭ সাল থেকে গাজায় সরকার পরিচালনা করে আসছে হামাস।

গাজায় প্রায় ৯ মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে যেকোনো প্রস্তাব নিয়ে হামাস আলোচনায় প্রস্তুত বলে জানান হামাস নেতা হামদান। তিনি বলেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা উপত্যকা থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার এবং অর্থবহ বন্দি বিনিময় সমঝোতা নিশ্চিত করবে- এমন যেকোনো ধরনের প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে নিতে আবারও প্রস্তুত রয়েছে হামাস। মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন করে কোনো প্রস্তাব পায়নি হামাস। ইসরায়েলের শর্ত মেনে নিতে হামাসের ওপর চাপ প্রয়োগ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন তিনি। এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনা করতে মিসরের গোয়েন্দাপ্রধানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ।

গাজায় আটক থাকা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে চুক্তি সই এবং আগাম নির্বাচনের দাবিতে ইসরায়েলে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানী তেল আবিবে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার বিক্ষোভকারী জমায়েত হয়েছেন বলে আয়োজকেরা জানান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গাজায় হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরা সেখানে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। গাজায় হামাসের হাতে বন্দি থাকা অবস্থায় মারা যান ৮০ বছর বয়সি ইয়োরাম মেৎসগার। নেতানিয়াহুর উদ্দেশে তার পুত্রবধূ এল মেৎসগার বলেন, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মানে হলো জিম্মিরা ইসরায়েলি সরকারের হাতে মারা যাবে। আপনার হাত রক্তে রঞ্জিত। প্রতিবার শেষ মুহূর্তে সব সমঝোতা নস্যাৎ করে দেন নেতানিয়াহু। পরবর্তী চুক্তি আটকে দেওয়া থেকে অবশ্যই নেতানিয়াহুকে থামাতে হবে।

 

 

কেয়ামত নামিয়ে আনার মতো অস্ত্র ইসরায়েলের কাছে আছে : ইয়ের কাটজ
গত শনিবার ইয়াহুদ-মনোসন শহরে ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিক পরিষদের এক অনুষ্ঠানে দেশটির অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান ইয়ের কাটজ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ যদি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ধ্বংসাত্মক’ আক্রমণ চালায়, তবে কেয়ামত নামিয়ে আনা হবে। এমন অস্ত্র ইসরায়েলের কাছে আছে। যদি আমরা বুঝতে পারি আমাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে এবং ইরান, ইয়েমেন, সিরিয়া, ইরাক ও মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশ যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা আমাদের বিরুদ্ধে বোঝাপড়া করার সময় এসেছে- এই অবস্থায় আমি মনে করি, আমাদের কেয়ামত নামিয়ে আনার মতো অস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা আছে। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও জার্মানি বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করে। তারা জানায়- কোন কোন পদক্ষে আমাদের বিপদে ফেলতে পারে। আমাদের প্রকৌশলী ও কর্মীরা বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে এ ধরনের দৃশ্যকল্পের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ঘটনার দিন শনিবার যখন আমাদের জানানো হয় যে, ইরান হামলা চালিয়েছে, তখন আমাদের কর্মীদের একটি বড় অংশ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। তার পরও আমরা একটি স্বাভাবিক সকাল দেখতে পেয়েছি এবং এটি আমাদের মহাকাশশিল্পেরই অবদান।

ইসরায়েলকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি সৌদির

আপডেট সময় : ০৯:২৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

❖স্থবির যুদ্ধবিরতি আলোচনা, নিহত বেড়ে ৩৭৮৩৪
❖ যুদ্ধবিরতির দাবিতে লাখো ইসরায়েলির বিক্ষোভ
❖ ইসরায়েলের কাছে কেয়ামত নামানোর মতো অস্ত্র আছে : ইয়ের কাটজ

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বর্বরতায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৮৩৪ জনে। একই সময় অন্তত ৮৬ হাজার ৮৫৮ জন আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। কারণ, উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। এদিকে, গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল ভূখণ্ডটিতে নৃশংস হামলা অব্যাহত রেখেছে। ফলে লাখ লাখ মানুষ চরম বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

এদিকে ফিলিস্তিনে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপন বাড়িয়েছে ইসরায়েল। এ সিদ্ধান্ত নিলে ইসরায়েলকে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ভোগ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরব। গত শনিবার এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দেয় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সৌদি প্রেস এজেন্সি প্রচারিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, সৌদি আরব আন্তর্জাতিক আইনের চলমান ইসরায়েলি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আপত্তি জানাচ্ছে। যদি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা চালিয়ে যায়, তবে এর ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের কট্টরপন্থি অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, তার সরকার পশ্চিম তীরের বসতি সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের কার্যক্রমের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনায় কোনো ধরনের অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন লেবাননে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস নেতা ওসামা হামদান। এদিকে জিম্মিদের রক্ষা এবং এ নিয়ে চুক্তি সইয়ের দাবিতে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে গত শনিবার লক্ষাধিক মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। একই সঙ্গে তারা দেশটিতে আগাম নির্বাচন দেওয়ারও দাবি করেছেন। এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি নিয়ে দুই পক্ষকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো। এই অচলাবস্থার জন্য ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরকে দায়ী করছে। হামাস বলছে, যেকোনো ধরনের চুক্তিতে অবশ্যই যুদ্ধ বন্ধ এবং ইসরায়েলি সেনাদের পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়টি থাকতে হবে। অন্যদিকে হামাসকে নির্মূল না করা পর্যন্ত শুধু সাময়িক অস্ত্রবিরতি মেনে নেওয়ার কথা বলছে ইসরায়েল। ২০০৭ সাল থেকে গাজায় সরকার পরিচালনা করে আসছে হামাস।

গাজায় প্রায় ৯ মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে যেকোনো প্রস্তাব নিয়ে হামাস আলোচনায় প্রস্তুত বলে জানান হামাস নেতা হামদান। তিনি বলেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা উপত্যকা থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার এবং অর্থবহ বন্দি বিনিময় সমঝোতা নিশ্চিত করবে- এমন যেকোনো ধরনের প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে নিতে আবারও প্রস্তুত রয়েছে হামাস। মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন করে কোনো প্রস্তাব পায়নি হামাস। ইসরায়েলের শর্ত মেনে নিতে হামাসের ওপর চাপ প্রয়োগ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন তিনি। এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনা করতে মিসরের গোয়েন্দাপ্রধানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ।

গাজায় আটক থাকা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে চুক্তি সই এবং আগাম নির্বাচনের দাবিতে ইসরায়েলে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানী তেল আবিবে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার বিক্ষোভকারী জমায়েত হয়েছেন বলে আয়োজকেরা জানান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গাজায় হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরা সেখানে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। গাজায় হামাসের হাতে বন্দি থাকা অবস্থায় মারা যান ৮০ বছর বয়সি ইয়োরাম মেৎসগার। নেতানিয়াহুর উদ্দেশে তার পুত্রবধূ এল মেৎসগার বলেন, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মানে হলো জিম্মিরা ইসরায়েলি সরকারের হাতে মারা যাবে। আপনার হাত রক্তে রঞ্জিত। প্রতিবার শেষ মুহূর্তে সব সমঝোতা নস্যাৎ করে দেন নেতানিয়াহু। পরবর্তী চুক্তি আটকে দেওয়া থেকে অবশ্যই নেতানিয়াহুকে থামাতে হবে।

 

 

কেয়ামত নামিয়ে আনার মতো অস্ত্র ইসরায়েলের কাছে আছে : ইয়ের কাটজ
গত শনিবার ইয়াহুদ-মনোসন শহরে ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিক পরিষদের এক অনুষ্ঠানে দেশটির অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান ইয়ের কাটজ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ যদি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ধ্বংসাত্মক’ আক্রমণ চালায়, তবে কেয়ামত নামিয়ে আনা হবে। এমন অস্ত্র ইসরায়েলের কাছে আছে। যদি আমরা বুঝতে পারি আমাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে এবং ইরান, ইয়েমেন, সিরিয়া, ইরাক ও মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশ যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা আমাদের বিরুদ্ধে বোঝাপড়া করার সময় এসেছে- এই অবস্থায় আমি মনে করি, আমাদের কেয়ামত নামিয়ে আনার মতো অস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা আছে। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও জার্মানি বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করে। তারা জানায়- কোন কোন পদক্ষে আমাদের বিপদে ফেলতে পারে। আমাদের প্রকৌশলী ও কর্মীরা বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে এ ধরনের দৃশ্যকল্পের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ঘটনার দিন শনিবার যখন আমাদের জানানো হয় যে, ইরান হামলা চালিয়েছে, তখন আমাদের কর্মীদের একটি বড় অংশ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। তার পরও আমরা একটি স্বাভাবিক সকাল দেখতে পেয়েছি এবং এটি আমাদের মহাকাশশিল্পেরই অবদান।