ঈদের বাকী আর মাত্র তিন দিন। রাজধানীর পশুরু হাটগুলোতে ইতোমধ্যেই ব্যবসায়ীরা কোরবানীর পশু নিয়ে হাজির হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এখনো আসছে গরু-ছাগল। দামও কিছুটা স্থিতীশীল। তবে হাট গুলোতে ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম বিক্রেতাদের আসা আগামীকাল বুধবার ও পরের দিন বৃহস্পতিবার হাট জমে উঠবে।
এদিকে, রাজধানীর রামপুরার হাজীপাড়া ঝিলপাড় বালুর মাঠে গরুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু, ছাগল কোরবানির পশু নিয়ে হাজির হয়েছেন খামারিরা। তবে এখনো পর্যন্ত পশু বিক্রি প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (৩ জুন) সকোলে হাজীপাড়ার হাট ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতারা আসছেন পশু দেখতে ও দাম যাচাই করতে। বেশিরভাগ ক্রেতাই এখন কোনো পশু কিনছেন না। আর ক্রেতার সংখ্যাও খুবই কম। ক্রেতারা বলছেন, দাম যাচাই করে শেষ দিকে কেনবেন পশু। কারণ অনেকের বাসায় রাখার জায়গা নেই।
হাটে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার পশুর দাম তাদের প্রত্যাশার চেয়ে একটু বেশিই মনে হচ্ছে।
রামপুরার উলন থেকে বাবার সঙ্গে গরু দেখতে আসা রিফাত রহমান আলভী জানান, হাটে কয়েকটা গরু দেখেছি, তবে আজ গরু কিনতে আসিনি। আজ শুধু বাজার ঘুরে দেখব। তার মতে বাজারে এবার তেমন কোরবানীর জন্য পশু বিশেষ করে গরু ও ছাগল তেমন উঠেনি। আলভী সবুজ বাংলা প্রতিবেদককে জানান এ বাজারে এবার গরুর দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এখন দাম যাচাই করছি। শেষ দিকে কিনবো। কারণ রাজধানীতে গরু রাখা একটা বড় সমস্যা। তাই একদিন আগে দাম যাই হোক কোরবানীর জন্য গরু ক্রয় করব। সাহিনা নামে একজন ক্রেতা বলেন, এবার হাটে পশুর সরবরাহ ঠিক আছে তবুও দামটা বেশি মনে হচ্ছে। দেখি শেষ দিকে কি অবস্থা হয়। আল আমীন নামের একজন বিক্রেতা সবুজ বাংলাকে বলেন, তিনি কুষ্টিয়া থেকে থেকে ২৫টি গরু নিয়ে এই হাটে এসেছেন। এখন পর্যন্ত বনি করা হয়নি মানে একটি গরুও বিক্রি হয়নি। মানুষ আসে আর দেখে যায়। তবে এখনো কেউ কিনছে না। তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহরের মানুষ ঈদের ২ দিন আগে থেকে গরু-ছাগল কেনে। কী আরা করা মানুষের গতিবিধির সঙ্গে আমরাও খাপ খাইয়ে নিচ্ছি। তবে বৃষ্টির কারণে বেশ ভোগান্তি হচ্ছে।
এমআর/সব



















