* পুলিশের হাতে প্রাণ গেছে ১৩৭১ জনের
* সদ্য বিলুপ্ত র্যাবের হাতে নিহত ১২০০
* র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে নিহত ৬৯
* বিজিবির হাতে ১, কোস্টগার্ডের হাতে ১ ও ডিএনসি’র হাতে ১
“ক্রসফায়ার নিয়ে ভেতরে ভেতরে সরকারের প্রস্তুতি না থাকলে আইজিপির মুখ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আসত না”
— আখতার হোসেন এমপি ও সদস্যসচিব, এনসিপি
“সস্তা বাহবা ও ক্রেডিট নেওয়ার জন্য আইজিপির দেওয়া বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে এবং সরকারকে স্বস্তির বদলে বিব্রত ও ভীত করবে”
— রুহুল কবির রিজভী, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, বিএনপি
২০০৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ মোট ২ হাজার ৯৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। এসব ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে পুলিশের অভিযানে। এ সময়ে পুলিশের হাতে নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৩৭১ জন, যা মোট মৃত্যুর প্রায় ৪৬ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) অভিযানে। গতকাল মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এক পরিসংখ্যানে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এ তথ্য জানিয়েছে। এদিন এনসিপি’র সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, ক্রসফায়ার নিয়ে ভেতরে ভেতরে সরকারের প্রস্তুতি না থাকলে আইজিপির মুখ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আসত না। অন্যদিকে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেছেন, সস্তা বাহবা ও ক্রেডিট নেওয়ার জন্য আইজিপির দেওয়া বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে এবং সরকারকে স্বস্তির বদলে বিব্রত ও ভীত করবে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, স্বাধীন বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক বা রাষ্ট্রীয় হেফাজতে তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধ’ বা ‘ক্রসফায়ার’ প্রথম শুরু হয় ১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ক্রসফায়ারের শিকার হন পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির প্রধান কমরেড সিরাজ সিকদার। ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের চন্দ্রিমা সিনেমা হলের সামনে থেকে তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা মারুফুল হকের নেতৃত্বে সিরাজ সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ওই দিনই তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। পরদিন ১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি তাকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় সাভারের রক্ষীবাহিনীর ক্যাম্পের কাছে (মতান্তরে সাভারের কোনো নির্জন স্থানে) নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, তাকে নিয়ে তার দলের গোপন আস্তানায় অস্ত্র উদ্ধারে যাওয়ার পর তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর গুলি চালালে ‘ক্রসফায়ার’ বা দুই পক্ষের গোলাগুলির মাঝখানে পড়ে তিনি নিহত হন।
এদিকে, আধুনিক বাংলাদেশে ২০০৪ সালে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র্যাব গঠনের পর সেই ১৯৭৫ সালের পুরনো এই ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পায়। যার প্রথম আনুষ্ঠানিক শিকার হন ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নান। তবে ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দলিল অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রীয় বিচারবহির্ভূত ‘ক্রসফায়ার’ হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল ১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি সিরাজ সিকদারের ওপরই। অন্যদিকে সর্বশেষ ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত একটি অভিযানে সর্বশেষ ১ জন ব্যক্তি কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। ২০২৩ বা ২০২৪-এর পরবর্তী সময়ে, অর্থাৎ সর্বশেষ ২০২৫ সালে কোস্ট গার্ডের সাথে ১টি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ১ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালে বিজিবির অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে ১ জন নিহত হন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে সংখ্যাগত পরিসংখ্যান (যেমন: ২০২৪ সালে ৮ জন, ২০২৫ সালে ১৮ জন এবং ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার) প্রকাশ করা হলেও, সুনির্দিষ্ট একক ব্যক্তির নাম বা নিখুঁত দিনক্ষণ প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে মানবাধিকার সংগঠন আসকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে র্যাবের হাতে ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন ১ হাজার ২০০ জন। এ ছাড়া পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে একই ধরনের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৬৯ জন। সব মিলিয়ে পুলিশ, র্যাব এবং তাদের যৌথ অভিযানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৪০ জন। দীর্ঘ সময় ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে এসব মৃত্যুর ঘটনা মানবাধিকার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণিত এসব ঘটনার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে আসকের পরিসংখ্যান মূলত বিভিন্ন সময়ে নথিভুক্ত মৃত্যুর সংখ্যা তুলে ধরে; প্রতিটি ঘটনার পরিস্থিতি বা দায় নির্ধারণের জন্য পৃথক তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন।
আসকের বার্ষিক প্রতিবেদনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের পর থেকে পুলিশ কিংবা র্যাবের হাতে ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ কোনো ব্যক্তির নিহত হওয়ার তথ্য নথিভুক্ত হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে এসব বাহিনীর অভিযানে মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হওয়ার পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের ক্ষেত্রে এমন তথ্য না থাকার বিষয়টি পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে উঠে এসেছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, ২০২৪ সালের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্য কোনো অভিযানে এ ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। আসকের তথ্য বলছে, এ সময়েও অন্যান্য বাহিনীর অভিযানে ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
আসকের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে একজন নিহত হন। ২০২৫ সালে কোস্টগার্ডের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে একজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। আর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে একজন নিহত হয়েছেন। অর্থাৎ, পুলিশ ও র্যাবের হাতে এমন মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত না হলেও অন্যান্য বাহিনীর ক্ষেত্রে প্রাণহানির ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
আসকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ, র্যাব, তাদের যৌথ অভিযান এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৯৫৭ জন। এর মধ্যে পুলিশের অভিযানে নিহতের সংখ্যা সর্বোচ্চ। র্যাবের অভিযান রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। পাশাপাশি যৌথ অভিযান এবং অন্যান্য বাহিনীর অভিযানে মৃত্যুর ঘটনাও এই দীর্ঘ সময়ের পরিসংখ্যানে স্থান পেয়েছে।
উল্লেখ্য, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বর্তমানে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে পরিচিত। দীর্ঘ ২২ বছরের এই পরিসংখ্যান দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানসংক্রান্ত প্রাণহানির একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এসব ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহি এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার গুরুত্বও সামনে নিয়ে আসে।
এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ভয়েস ফর রিফর্ম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, সরকারের প্রস্তুতি আছে বলেই পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ক্রসফায়ার ফিরিয়ে আনার কথা বলেছেন। আইজিপির এমন বক্তব্যের জন্য তাকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারকে ব্যর্থতা ঢাকতে নতুন কোনো নাটক মঞ্চস্থ না করার আহ্বান জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আখতার হোসেন বলেন, বাহিনীগুলো নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করেই চলে। সরকারের সঙ্গে ক্রসফায়ার নিয়ে ভেতরে ভেতরে কোনো আলোচনা না হলে আইজিপির মুখ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আসত না বলে মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যকে রূপক অর্থে বলা হয়েছে, এমন ব্যাখ্যারও সমালোচনা করেন এনসিপির সদস্যসচিব। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের বক্তব্যকে রূপক অর্থে বলা হয়েছে বলে ব্যাখ্যা দেয়া হলে সেটি কেমন রূপকথা হয়? আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। সরকার নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে আবার কোনো নাটক মঞ্চস্থ করবে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, আইজিপি ক্রসফায়ারের কথা বলেছেন, এটিকে সরকারের বক্তব্য হিসেবে ধরে নেয়া যেতে পারে। সরকারের প্রস্তুতি আছে বলেই তিনি এ কথা বলেছেন বলে মনে করেন এনসিপির এই নেতা। এ বক্তব্যের জন্য আইজিপিকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি চিকিৎসাসেবা (মেডিক্যাল ক্যাম্প) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, সস্তা বাহবা ও ক্রেডিট নেওয়ার জন্য আইজিপির দেওয়া বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে এবং সরকারকে স্বস্তির বদলে বিব্রত ও ভীত করবে। পুলিশ বাহিনীতে অনেক সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা রয়েছেন, তাদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিলে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা সম্ভব। আইজিপি’র এমন বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে শুধু ভীতি ছড়ায়নি, বরং সরকারও বিব্রতবোধ করছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) পৃুরান ঢাকার চকবাজারে ‘কমিউনিটি ব্যাংক’-এর ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা চালুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার অনুমোদন দিলে পুলিশ প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ইস্যুতে তিনি বলেন, কে আসবে, কী হবে, সেটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেখার বিষয় না। আমাদের দায়িত্ব আইন-সংবিধান অনুযায়ী যখন যেখানে, যা প্রয়োগ করা দরকার, সেটিই আমরা করব। ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ (অনুমোদন) করে, আমরা সেটাই করব। পুলিশ বাহিনীকে কাজ করার পরিবেশ দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, লাঠিপেটা করলে বলবে ফ্যাসিস্ট পুলিশ, আর নীরবে থাকলে বলবে দুর্বল পুলিশ। কাজেই আমাদের কাজ করার পরিবেশ দিতে হবে। সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে হলে পুলিশের কোনো বিকল্প নেই।
আইজিপি বলেন, আপনারা মাদকের বিরুদ্ধে মুভ করতেছেন না, সেখান থেকে গোপনে টাকা নিচ্ছেন। সাংবাদিক সাহেবরা ওখান থেকে যখন পয়সা না পাচ্ছেন তখন লিখছেন, পুলিশ এই দেশে অকার্যকর হয়ে গেছে। কেন?’ তিনি বলেন, পলাতক এবং গত ১৭ বছরে যারা নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে অকার্যকর করেছে, তাদের সময়ে পাড়া-মহল¬ায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে। তৎকালীন সরকারি দলের নেতা-নেত্রীরা মাদক থেকে নিয়মিত টাকা নিতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ কাজে পুলিশের কিছু সদস্যও জড়িত ছিলেন বলে জানান আইজিপি।
তার এমন মন্তব্য বা বক্তব্যকে ঘিরে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যাপক সরব হয়ে ওঠে। আইজিপির এ বক্তব্যে ডিআরইউ, ক্র্যাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের ক্ষুব্ধ সাংবাদিক সমাজও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয় আইজিপির বক্তব্য। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলোও। এমন পরিস্থিতিতে
২৬ অক্টোবর রাতেই পুলিশ সদর দপ্তর থেকে আইজিপি’র শব্দচয়নে অনাকাঙ্খিত ভুল বলে ব্যাখ্যা দিয়ে দায় চেয়ে যায়। এ নিয়ে এখনও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা।