লক্ষ্মীপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থানে গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য

সবুজ বাংলা রিপোর্ট
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
গত দু’দিন ধরে বিয়ের দাবিতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে এসে অনশন করছেন ফেনীর মেয়ে ফাতেমা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত ছবি:
গত দু’দিন ধরে বিয়ের দাবিতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে এসে অনশন করছেন ফেনীর মেয়ে ফাতেমা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ির সামনে দু’দিন ধরে অবস্থান করছেন ফেনীর এক তরুণী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে উপজেলার ৫ নম্বর চণ্ডীপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্য পাটোয়ারী বাড়িতে কাতারপ্রবাসী ইমন হোসেনের বসতঘরের সামনে অবস্থান করছেন ফাতেমা আক্তার নামে ওই তরুণী। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেনী থেকে এসে তিনি সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। ফাতেমা আক্তারের দাবি, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ইমন হোসেন তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ওই আশ্বাসে তিনি ইমনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়ান। তবে বর্তমানে ইমন তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। এ কারণে বিয়ের দাবিতে তিনি প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন। ফাতেমা বলেন, ইমনের বিয়ের আশ্বাসে আমি তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছি। এখন সে আমাকে বিয়ে করতে চায় না। তাই বাধ্য হয়ে তার বাড়িতে এসে অবস্থান করছি।

তবে এ বিষয়ে ইমন হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি বর্তমানে কাতারে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। ইমনের মা বলেন, তার ছেলে ও ওই তরুণীর মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। ছেলে চার মাসের ছুটি নিয়ে দেশে এসেছিলেন। পরে আবার বিদেশে চলে গেছেন। দেশে থাকাকালে মেয়েটি একবার বাড়িতে এসে ঝামেলা করেছিলেন। এখন আবার এসেছেন। তার দাবি, সামাজিকভাবে পরিবারকে হেয় করতেই মেয়েটি সেখানে অবস্থান নিয়েছেন।

এদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ওই তরুণী এর আগেও একাধিকবার সেখানে এসেছেন। গত ১ জুলাইও তিনি একই স্থানে অবস্থান করেছিলেন। তখন পুলিশ তাকে বুঝিয়ে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। প্রথমে তিনি সঠিক নাম-ঠিকানা দেননি। পরে যে ঠিকানা দেন, তা যাচাই করতে গিয়ে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। ওসি আরও বলেন, সঠিক মোবাইল নম্বর না দেয়ায় তার নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছিল। পরে আদালত তাকে নিজ জিম্মায় মুক্তি দেন। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, তিনি আবারও ওই বাড়িতে অবস্থান করছেন। অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে বিষয়টি নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL