ভালুকায় টয়লেটের মল ফেলে লাখ  টাকার মাছ মারার অভিযোগ

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:


টয়লেটের মল মৎস্য পুকুরে ফেলে ক্ষুদ্র মৎস্য চাষীর লাখ টাকার মাছ মারার অভিযোগ উঠেছে সিরাজ উদ্দিন ফকির (৫৫) নামে এক প্রতিবেশির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্বভালুকা গ্রামের। 
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্বভালুকা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুস ছালামের ছেলে ক্ষুদ্র মৎস্য চাষী সাইফুজ্জামান আরিফ তার বাড়ি সংলগ্ন ভাড়াকৃত ৮০ শতক জমির একটি পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করে আসছিলেন। ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার ওই পুকুরের সরপুঁটি ও কার্প জাতীয় মাছ মরে ভেসে উঠছে। তিনি মাছ মরার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানতে পারেন ওই পুকুরের পাশেই বসবাসকারী সিরাজ উদ্দিন ফকিরের বাড়ির টয়লেটের মল মৎস্য পুকুরে ফেলে দেওয়ার কারণে সেই মল কার্প ও সরপুঁটি খেয়ে পেট ফেঁপে মরে পানিতে ভেসে গেছে। 
স্থানীয়রা জানায়, যখন পুকুরে মাছগুলো মরে ভেসে উঠছিল, তখন সেটি তারা দেখেছেন। টয়লেটের মল খাওয়া ছাড়া আর কোনো লক্ষণ প্রাথমিক ভাবে তারা দেখতে পাননি। এতে আরিফের মাছ মরে অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। 
মৎস্য চাষী আরিফ বলেন, আমার পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছ রয়েছে। যেসব মাছ মল খেয়েছে সেগুলোই মারা যাচ্ছে। টয়লেটের মল ফেলার কারণে আমার অনুমান এক লাখ টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে। পুকুরে মল না ফেলার ব্যাপারে আগেও সিরাজ ফকিরকে বলেছি, তিনি বলেছেন আর ফেলবেন না। কিন্তু তবুও ফেলছেন। আমার কথার কোনো তোয়াক্কা করেন নাই তিনি। ঘটনাটি ভালুকা বাজার মৎস্য ব্যবসায়ীসহ সিরাজ ফকিরের আত্মীয়দের এবং উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমানকেও জানিয়েছি। আমি আমার মাছ মারার ক্ষতিপূরণসহ এই ঘটনার শাস্তি দাবি করছি। 
এ ঘটনায় সিরাজ ফকির কোনো মন্তব্য করেননি। 
 

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL