১১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ফেসবুক পোস্টে তাজনূভা

‘এই জিনিস হজম করে মরতেও পারব না আমি’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাজনূভা জাবীন।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ সময় তাজনূভা জাবীন বলেন, নিজেরও ভাল লাগছে না, এভাবে ছেড়ে যেতে। কিন্ত যারা এই দেশ, এই সংসদই চায় নাই তাদের সমঝোতায় একদম শুরুতেই এমপি হতে চাওয়া বা যারা এদের কল্যাণে এমপি হওয়ার জন্য হাভাইত্তার মতো করছে, তাদের নেতৃত্ব মানা আমার পক্ষে ঠিক গণঅভ্যুত্থানের পরের বছর অসম্ভব।

জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তাজনূভা বলেন, এই জিনিস হজম করে মরতেও পারব না আমি। আমার নেতা হবে মাজাওয়ালা, জুলাই রাজনীতির ধারক। কিন্তু পুরো জুলাইকে নিয়ে রাজনৈতিক কৌশলের নাম করে তুলে দিচ্ছে জামায়াতের হাতে। আবার নাকি বাউন্স ব্যাক করবে, হাস্যকর। বিএনপি, এই জামায়াতের সঙ্গে জোট করে ১৭ বছর ক্ষমতা থেকে দূরে ছিল। আর বিএনপির অধীনে জামায়াতের সঙ্গে জোট হয়েছিল, জামায়াতের অধীনে না। যেখানে এনসিপিকে বলাই হয় জামায়াতের আরেকটা দোকান, তাহলে কেন এনসিপি আগে নিজের স্বকীয়তা, নিজের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জামায়াতকে বেছে নিতে মরিয়া হয়ে যাচ্ছে? তিনজন মন্ত্রী ছিল না ক্ষমতায়? পারে নাই তো।

উল্লেখ্য যে, তাজনূভা জাবীন এনসিপির একজন অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন। এর আগে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আরেক শীর্ষস্থানীয় নেতা তাসনিম জারা পদত্যাগ করেন। যার ফলে দলটির ভেতরকার রাজনীতির দ্বন্দ্বই সামনে নিয়ে আসছে। মূলত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জামায়াতসহ ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক ঐক্য এনসিপি নেতাদের মধ্যে বিভেদের দেয়াল তৈরি করেছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুক পোস্টে তাজনূভা

‘এই জিনিস হজম করে মরতেও পারব না আমি’

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাজনূভা জাবীন।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ সময় তাজনূভা জাবীন বলেন, নিজেরও ভাল লাগছে না, এভাবে ছেড়ে যেতে। কিন্ত যারা এই দেশ, এই সংসদই চায় নাই তাদের সমঝোতায় একদম শুরুতেই এমপি হতে চাওয়া বা যারা এদের কল্যাণে এমপি হওয়ার জন্য হাভাইত্তার মতো করছে, তাদের নেতৃত্ব মানা আমার পক্ষে ঠিক গণঅভ্যুত্থানের পরের বছর অসম্ভব।

জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তাজনূভা বলেন, এই জিনিস হজম করে মরতেও পারব না আমি। আমার নেতা হবে মাজাওয়ালা, জুলাই রাজনীতির ধারক। কিন্তু পুরো জুলাইকে নিয়ে রাজনৈতিক কৌশলের নাম করে তুলে দিচ্ছে জামায়াতের হাতে। আবার নাকি বাউন্স ব্যাক করবে, হাস্যকর। বিএনপি, এই জামায়াতের সঙ্গে জোট করে ১৭ বছর ক্ষমতা থেকে দূরে ছিল। আর বিএনপির অধীনে জামায়াতের সঙ্গে জোট হয়েছিল, জামায়াতের অধীনে না। যেখানে এনসিপিকে বলাই হয় জামায়াতের আরেকটা দোকান, তাহলে কেন এনসিপি আগে নিজের স্বকীয়তা, নিজের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জামায়াতকে বেছে নিতে মরিয়া হয়ে যাচ্ছে? তিনজন মন্ত্রী ছিল না ক্ষমতায়? পারে নাই তো।

উল্লেখ্য যে, তাজনূভা জাবীন এনসিপির একজন অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন। এর আগে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আরেক শীর্ষস্থানীয় নেতা তাসনিম জারা পদত্যাগ করেন। যার ফলে দলটির ভেতরকার রাজনীতির দ্বন্দ্বই সামনে নিয়ে আসছে। মূলত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জামায়াতসহ ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক ঐক্য এনসিপি নেতাদের মধ্যে বিভেদের দেয়াল তৈরি করেছে।

এমআর/সবা