১১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত

আর কতদিন জিম্মিদশায় থাকবো?

ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান বলেছেন, বিশ্বে আমরাই রাষ্ট্রহীন নাগরিক, আমরা নিজ ভূমিতে পরাধীন। আমাদের শরণার্থী জীবনযাপন করতে হয়। আমরা আর কতদিন এ জিম্মিদশায় থাকবো?

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাব টকে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত ইউসুফ বলেন, বাংলাদেশ ন্যায়বিচার, মানবিকতা চায় বলেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সমর্থন দিয়ে যায়। স্বাধীন ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিনের অধিকার। ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের সরাসরি সংঘাত। কিন্তু এটাও বাস্তবতা এর পেছনে যারা সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে- এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। পশ্চিমা স্বার্থের মর্জিমাফিক চলছে ইসরায়েল।

তিনি বলেন, এত রক্তের দামে কেন আমাদের নিজেদের ভূমিকে রক্ষা করতে হবে? বিদ্যুৎ ছাড়া, পানি ছাড়া, খাদ্য ছাড়া, বাসস্থান ছাড়া আমাদের আর কতদিন থাকতে হবে? আর কত মূল্য দিতে হবে- একটি ন্যায়বিচার পেতে? মুসলিম উম্মাহ কোথায়? বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের মানবিকতা কোথায়? বাংলাদেশ পরম আত্মীয়ের চেয়েও বেশি করে যাচ্ছে নিজ ভাইদের জন্য।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ওআইসির রাষ্ট্রগুলোর মধ্যেও সে একতা দেখা যাচ্ছে না। এ গল্প আর কতদিন টেনে নিয়ে যেতে হবে। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। ইব্রাহিম (আ.) এর আমল থকে আমরা সে জমির ভূমিপূত্র। এখানে কারও দায়িত্বগ্রহণ অযৌক্তিক। আমাদের দায়িত্ব অন্যরা নেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ইসরায়েলিদের থাকতে দিয়েছি। তারা আমাদের সঙ্গে বসবাস করতে পারে, আমরা না। আমরা এখানে ছয় হাজার বছর আগে এসেছি।

 

 

 

স/ম

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত

আর কতদিন জিম্মিদশায় থাকবো?

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান বলেছেন, বিশ্বে আমরাই রাষ্ট্রহীন নাগরিক, আমরা নিজ ভূমিতে পরাধীন। আমাদের শরণার্থী জীবনযাপন করতে হয়। আমরা আর কতদিন এ জিম্মিদশায় থাকবো?

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাব টকে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত ইউসুফ বলেন, বাংলাদেশ ন্যায়বিচার, মানবিকতা চায় বলেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সমর্থন দিয়ে যায়। স্বাধীন ফিলিস্তিন, ফিলিস্তিনের অধিকার। ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের সরাসরি সংঘাত। কিন্তু এটাও বাস্তবতা এর পেছনে যারা সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে- এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। পশ্চিমা স্বার্থের মর্জিমাফিক চলছে ইসরায়েল।

তিনি বলেন, এত রক্তের দামে কেন আমাদের নিজেদের ভূমিকে রক্ষা করতে হবে? বিদ্যুৎ ছাড়া, পানি ছাড়া, খাদ্য ছাড়া, বাসস্থান ছাড়া আমাদের আর কতদিন থাকতে হবে? আর কত মূল্য দিতে হবে- একটি ন্যায়বিচার পেতে? মুসলিম উম্মাহ কোথায়? বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের মানবিকতা কোথায়? বাংলাদেশ পরম আত্মীয়ের চেয়েও বেশি করে যাচ্ছে নিজ ভাইদের জন্য।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ওআইসির রাষ্ট্রগুলোর মধ্যেও সে একতা দেখা যাচ্ছে না। এ গল্প আর কতদিন টেনে নিয়ে যেতে হবে। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। ইব্রাহিম (আ.) এর আমল থকে আমরা সে জমির ভূমিপূত্র। এখানে কারও দায়িত্বগ্রহণ অযৌক্তিক। আমাদের দায়িত্ব অন্যরা নেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ইসরায়েলিদের থাকতে দিয়েছি। তারা আমাদের সঙ্গে বসবাস করতে পারে, আমরা না। আমরা এখানে ছয় হাজার বছর আগে এসেছি।

 

 

 

স/ম