০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উপজেলাতেও অঘোষিত দলীয় নির্বাচন

◉প্রার্থী মনোনয়নকারীর নাম জানাতে দলগুলোকে ইসির চিঠি
◉দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সময় এই নিয়ম ছিল: মোহাম্মদ শাহজাহান
◉নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক থাকবে না: ওবায়দুল কাদের

আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১৫২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ আগামী ৮ মে অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে দলীয় প্রার্থীদের কে মনোনয়ন দেবে তা জানতে চেয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও দলগুলোকে এ ধরনের চিঠির মাধ্যমে অঘোষিত দলীয় নির্বাচনই হচ্ছে বলে অনেকের অভিমত।

রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বর্তমান সরকার ২০১৫ সালে আইন সংশোধন করে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন দলীয় প্রতীকে করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী সর্বস্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকেই হয়। কিন্তু গত ২২ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের জরুরি সভা শেষে গণভবন গেটে সাংবাদিকদের দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক থাকবে না। ফলে এককভাবে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়টিও আর থাকছে না।

এদিকে সভায় উপস্থিত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সভায় উপজেলা নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। সেখানে দলীয় প্রতীকের পক্ষে- বিপক্ষে মতামত দেন নেতারা। তবে বেশিরভাগ নেতা দলীয় কোন্দল ও সংঘাত থেকে নেতা- কর্মীদের দূরে রাখতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক না রাখার পরামর্শ দেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও নেতাদের এই মতামতের প্রতি নিজের সমর্থন জানান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলো আগেই জানিয়েছে তারা কোনো দলীয় প্রতীক দেবে না। তাহলে নির্বাচন কি দলীয়ভাবে হবে নাকি এককভাবে হবে? এটা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আসলে উপজেলা নির্বাচন কোনো দলীয় নির্বাচন না। তবু কেন ইসি দল কাকে মনোনয়ন দেবে তার তথ্য জানতে কেন চাইল। এ প্রসঙ্গে ইসি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটা রুটিন ওয়ার্ক। ইসি প্রত্যেক নির্বাচনের আগেই এমন নোটিস দিয়ে থাকে। এবারও এর কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান দৈনিক সবুজ বাংলাকে বলেন, এটা তো দলীয় নির্বাচন নয়। তাহলে প্রার্থী মনোনয়নের জন্য দলকে কেন চিঠি দেওয়া হচ্ছে। আসলে আগে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সময় এই নিয়ম ছিল সেটাই তারা এবারও চালু করেছে। এটা পাগলামি ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি বলেন, দেশে নির্বাচন বলতে কিছু নেই। মানুষ নির্বাচন বিমুখ হয়ে গেছে। সেখানে সরকারি দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্যই তারা নির্বাচন আয়োজন করছে। আসলে তারা নির্বাচনের নামে জনগণের সঙ্গে মহাতামাসা করছে। জাতীয় থেকে স্থানীয় পর্যায় সব জায়গাতেই সত্যিকারের নির্বাচন বলতে এখন কিছু নাই।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেছেন, পৃথিবীতে যে দেশ যত উন্নত সে দেশে নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি তত কম। আমাদের দেশেও এর প্রভাব পড়েছে। এরপরও সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৬০ শতাংশ পার করেছে, যা আশাব্যঞ্জক। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি আরো বাড়বে বলে আশা করছি। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলগুলোর প্রার্থী কে মনোনয়ন দেবে, তার নাম ও সইয়ের বিষয়ে জানাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন ইসির সহকারি সচিব রৌশন আরা। তফসিল ঘোষণার সাত দিনের মধ্য এ বিষয়ে জানাতে বলেছে ইসি। সে অনুযায়ী আগামী ২৮ মার্চের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে ইসিকে এ বিষয়ে জানাতে হবে। ইসি জানায়, আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে ১৫২ উপজেলায় নির্বাচন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০১৩ এর বিধি ১৫-এর উপবিধি (৩ ) (গ) (ইইই) অনুযায়ী চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান বা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারী বা তাদের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সইসহ তালিকা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের পাঠাতে বলা হলো। একই সঙ্গে ওই চিঠির অনুলিপি নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে বলা হয়েছে। তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপের নির্বাচনে ১৫২ উপজেলায় মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল, বাছাই ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। এরপর প্রতীক বরাদ্দ ২৩ এপ্রিল, ভোটগ্রহণ ৮ মে। এরআগে ইসি নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবেন আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে জেলা প্রশাসক। মোট চার ধাপে অনুষ্ঠেয় ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তী তিন ধাপের ভোট ২৩ ও ২৯ মে এবং ৫ জুন। দেশে মোট উপজেলা ৪৯৫টি। ইসি ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করতে মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে।। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৮ মে অনুষ্ঠেয় ১ম ধাপের উপজেলাসমূহের ভোটকেন্দ্রের তালিকা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হলো। এছাড়া ২য়, ৩য় ও ৪র্থ পর্যায়ের নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা লিঙ্ক পাওয়ার পর উক্ত তিন পর্যায়ের চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সব সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

উপজেলাতেও অঘোষিত দলীয় নির্বাচন

আপডেট সময় : ১১:২৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

◉প্রার্থী মনোনয়নকারীর নাম জানাতে দলগুলোকে ইসির চিঠি
◉দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সময় এই নিয়ম ছিল: মোহাম্মদ শাহজাহান
◉নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক থাকবে না: ওবায়দুল কাদের

আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১৫২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ আগামী ৮ মে অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে দলীয় প্রার্থীদের কে মনোনয়ন দেবে তা জানতে চেয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও দলগুলোকে এ ধরনের চিঠির মাধ্যমে অঘোষিত দলীয় নির্বাচনই হচ্ছে বলে অনেকের অভিমত।

রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বর্তমান সরকার ২০১৫ সালে আইন সংশোধন করে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন দলীয় প্রতীকে করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী সর্বস্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকেই হয়। কিন্তু গত ২২ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের জরুরি সভা শেষে গণভবন গেটে সাংবাদিকদের দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক থাকবে না। ফলে এককভাবে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়টিও আর থাকছে না।

এদিকে সভায় উপস্থিত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সভায় উপজেলা নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। সেখানে দলীয় প্রতীকের পক্ষে- বিপক্ষে মতামত দেন নেতারা। তবে বেশিরভাগ নেতা দলীয় কোন্দল ও সংঘাত থেকে নেতা- কর্মীদের দূরে রাখতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক না রাখার পরামর্শ দেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও নেতাদের এই মতামতের প্রতি নিজের সমর্থন জানান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলো আগেই জানিয়েছে তারা কোনো দলীয় প্রতীক দেবে না। তাহলে নির্বাচন কি দলীয়ভাবে হবে নাকি এককভাবে হবে? এটা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আসলে উপজেলা নির্বাচন কোনো দলীয় নির্বাচন না। তবু কেন ইসি দল কাকে মনোনয়ন দেবে তার তথ্য জানতে কেন চাইল। এ প্রসঙ্গে ইসি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটা রুটিন ওয়ার্ক। ইসি প্রত্যেক নির্বাচনের আগেই এমন নোটিস দিয়ে থাকে। এবারও এর কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান দৈনিক সবুজ বাংলাকে বলেন, এটা তো দলীয় নির্বাচন নয়। তাহলে প্রার্থী মনোনয়নের জন্য দলকে কেন চিঠি দেওয়া হচ্ছে। আসলে আগে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সময় এই নিয়ম ছিল সেটাই তারা এবারও চালু করেছে। এটা পাগলামি ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি বলেন, দেশে নির্বাচন বলতে কিছু নেই। মানুষ নির্বাচন বিমুখ হয়ে গেছে। সেখানে সরকারি দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্যই তারা নির্বাচন আয়োজন করছে। আসলে তারা নির্বাচনের নামে জনগণের সঙ্গে মহাতামাসা করছে। জাতীয় থেকে স্থানীয় পর্যায় সব জায়গাতেই সত্যিকারের নির্বাচন বলতে এখন কিছু নাই।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেছেন, পৃথিবীতে যে দেশ যত উন্নত সে দেশে নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি তত কম। আমাদের দেশেও এর প্রভাব পড়েছে। এরপরও সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৬০ শতাংশ পার করেছে, যা আশাব্যঞ্জক। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি আরো বাড়বে বলে আশা করছি। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলগুলোর প্রার্থী কে মনোনয়ন দেবে, তার নাম ও সইয়ের বিষয়ে জানাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন ইসির সহকারি সচিব রৌশন আরা। তফসিল ঘোষণার সাত দিনের মধ্য এ বিষয়ে জানাতে বলেছে ইসি। সে অনুযায়ী আগামী ২৮ মার্চের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে ইসিকে এ বিষয়ে জানাতে হবে। ইসি জানায়, আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে ১৫২ উপজেলায় নির্বাচন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০১৩ এর বিধি ১৫-এর উপবিধি (৩ ) (গ) (ইইই) অনুযায়ী চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান বা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারী বা তাদের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সইসহ তালিকা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের পাঠাতে বলা হলো। একই সঙ্গে ওই চিঠির অনুলিপি নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে বলা হয়েছে। তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপের নির্বাচনে ১৫২ উপজেলায় মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল, বাছাই ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। এরপর প্রতীক বরাদ্দ ২৩ এপ্রিল, ভোটগ্রহণ ৮ মে। এরআগে ইসি নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবেন আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে জেলা প্রশাসক। মোট চার ধাপে অনুষ্ঠেয় ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তী তিন ধাপের ভোট ২৩ ও ২৯ মে এবং ৫ জুন। দেশে মোট উপজেলা ৪৯৫টি। ইসি ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করতে মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে।। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৮ মে অনুষ্ঠেয় ১ম ধাপের উপজেলাসমূহের ভোটকেন্দ্রের তালিকা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হলো। এছাড়া ২য়, ৩য় ও ৪র্থ পর্যায়ের নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা লিঙ্ক পাওয়ার পর উক্ত তিন পর্যায়ের চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সব সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হলো।