০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইবির বিবিএ ফ্যাকাল্টিতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিস্ফুলিঙ্গের সূত্রপাত

 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) একটি একাডেমিক ভবনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের ঘটনা ঘটেছে। ভবনটির সার্কিট বোর্ড থেকে এই অগ্নিস্ফুলিঙ্গের সূত্রপাত ঘটে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে ভবনটির নিচতলা’সহ পুরো বিল্ডিংয়ে থাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে।

রবিবার (২৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের নিচতলায় এই শর্ট সার্কিটের ঘটনা ঘটে। এসময় সার্কিট বোর্ড ঠিক করার সময়টুকু বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয় ভবনটিতে।

ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, আকস্মিকভাবে ব্যবসায় অনুষদ ভবনের নিচতলার উত্তর পাশের সিঁড়ি সংলগ্ন সার্কিট বোর্ডে হঠাৎ উচ্চ শব্দের সাথে স্পার্কিং হয়। এতে কৌতুহলী শিক্ষার্থীরা প্রথমে নিচতলায় জড়ো হলেও পরে এলোমেলো ভাবে আতঙ্কিত হয়ে স্থান ত্যাগ করে।

প্রাথমিক ধারণায় বিদ্যুতের ওভারলোর থেকে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন সেখানে কাজ করতে আসা একাধিক ইলেক্ট্রিশিয়ান। তারা বলেন, বিদ্যুতের লোড সামলানোর সক্ষমতা ও ব্যবহারের মাত্রার তারতম্যের কারণে এমনটা হতে পারে।

ঘটনায় আতঙ্কিত বিবিএ ফ্যাকাল্টির শাহরিয়ার নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা কয়েকজন ক্লাসের অপেক্ষায় বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ ভবনের নিচ থেকে বিকট শব্দের আওয়াজে নিচে এসে দেখি আগুনে স্ফুলিঙ্গ বের হচ্ছে। পরে অগ্নিকাণ্ডের ভয়ে আমরা দ্রুত ভবন থেকে বের হয়ে আসি।

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিল্ডিং এ বিদ্যুতের ওভারলোড রয়েছে । এই কারণেই হয়তো এমনটা হচ্ছে। প্রকৌশল অফিস থেকেও অতিরিক্ত লোডের কথা জানানো হয়েছে। তবে ফ্যাকাল্টির প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট ই স্বাধীন। যদি ডিপার্টমেন্ট গুলোর পক্ষ থেকে একটু সচেতনতার সাথে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় তাহলে হয়তো তা এড়ানো সম্ভব।

আগুন ধরার কারণ জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী এ. কে. এম শরীফ উদ্দীন বলেন, বিদ্যুৎ এর অতিরিক্ত লোডের জন্য এমনটা হতে পারে। যেকোন রুমে এসি ব্যবহার করলে তারা তাদের ইচ্ছেমতো তা লাগিয়ে নেয়। আমাদেরকে জানানোর প্রয়োজন মনে করে না। লোডের এই তারতম্যের কথা আমরা প্রশাসনকে বিভিন্ন সময় জানিয়েছি।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় কতটুকু প্রস্তুত পবিপ্রবি?

ইবির বিবিএ ফ্যাকাল্টিতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিস্ফুলিঙ্গের সূত্রপাত

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) একটি একাডেমিক ভবনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের ঘটনা ঘটেছে। ভবনটির সার্কিট বোর্ড থেকে এই অগ্নিস্ফুলিঙ্গের সূত্রপাত ঘটে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে ভবনটির নিচতলা’সহ পুরো বিল্ডিংয়ে থাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে।

রবিবার (২৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের নিচতলায় এই শর্ট সার্কিটের ঘটনা ঘটে। এসময় সার্কিট বোর্ড ঠিক করার সময়টুকু বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয় ভবনটিতে।

ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, আকস্মিকভাবে ব্যবসায় অনুষদ ভবনের নিচতলার উত্তর পাশের সিঁড়ি সংলগ্ন সার্কিট বোর্ডে হঠাৎ উচ্চ শব্দের সাথে স্পার্কিং হয়। এতে কৌতুহলী শিক্ষার্থীরা প্রথমে নিচতলায় জড়ো হলেও পরে এলোমেলো ভাবে আতঙ্কিত হয়ে স্থান ত্যাগ করে।

প্রাথমিক ধারণায় বিদ্যুতের ওভারলোর থেকে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন সেখানে কাজ করতে আসা একাধিক ইলেক্ট্রিশিয়ান। তারা বলেন, বিদ্যুতের লোড সামলানোর সক্ষমতা ও ব্যবহারের মাত্রার তারতম্যের কারণে এমনটা হতে পারে।

ঘটনায় আতঙ্কিত বিবিএ ফ্যাকাল্টির শাহরিয়ার নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা কয়েকজন ক্লাসের অপেক্ষায় বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ ভবনের নিচ থেকে বিকট শব্দের আওয়াজে নিচে এসে দেখি আগুনে স্ফুলিঙ্গ বের হচ্ছে। পরে অগ্নিকাণ্ডের ভয়ে আমরা দ্রুত ভবন থেকে বের হয়ে আসি।

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিল্ডিং এ বিদ্যুতের ওভারলোড রয়েছে । এই কারণেই হয়তো এমনটা হচ্ছে। প্রকৌশল অফিস থেকেও অতিরিক্ত লোডের কথা জানানো হয়েছে। তবে ফ্যাকাল্টির প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট ই স্বাধীন। যদি ডিপার্টমেন্ট গুলোর পক্ষ থেকে একটু সচেতনতার সাথে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় তাহলে হয়তো তা এড়ানো সম্ভব।

আগুন ধরার কারণ জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী এ. কে. এম শরীফ উদ্দীন বলেন, বিদ্যুৎ এর অতিরিক্ত লোডের জন্য এমনটা হতে পারে। যেকোন রুমে এসি ব্যবহার করলে তারা তাদের ইচ্ছেমতো তা লাগিয়ে নেয়। আমাদেরকে জানানোর প্রয়োজন মনে করে না। লোডের এই তারতম্যের কথা আমরা প্রশাসনকে বিভিন্ন সময় জানিয়েছি।