০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এতগুলো জীবনের বিনিময়ে তোমরা দেশ স্বাধীন করেছো, প্রিয়র মা

শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওযার সংবাদে রংপুরে শিক্ষার্থীদের বিজয় উদযাপন করতে দেখে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নিহত তাহির জামান প্রিয়র মা। গত ৫ আগস্ট) সোমবার বিকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আবু সাঈদ চত্ত্বরে শিক্ষার্থীদের বিজয় উদযাপন করতে দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় প্রিয়র মা সামছিআরা জামান বলেন, আবু সাঈদ যখন শহীদ হলো তখন অনেক কেঁদেছি। আমার ছেলে এই আন্দোলনে যেয়ে ঢাকায় শহীদ হয়েছে। তখন কাঁদতে পারিনি। আমি ভেবেছিলাম তোমাদের এখানে এসে কাঁদবো। আমি আসলে কাঁদতে পারছি না। এতগুলো জীবনের বিনিময়ে তোমরা দেশ স্বাধীন করেছো। ছাত্র সমাজ না দাঁড়ালে এই স্বাধীনতা আসতো না। তোমরা দেশকে মুক্ত করেছো বাবা এজন্য আমি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এখন আমার ছেলে নেই কিন্তু সব জায়গায় আমার ছেলেকে খুঁজে পেয়েছি। আজ তোমরাই আমার সন্তান। তাহির জামান প্রিয় দ্য রিপোর্ট নামে একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে সবশেষ ভিডিও জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন। রংপুর থেকে গত ১০ জুলাই রাতে ঢাকায় চলে যান তিনি। গত ১৯ জুলাই রাজধানীর সেন্ট্রাল রোডে নিউজের কাজে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকাল ৫টার দিকে নিহত হন। প্রিয়র মরদেহ ২১ জুলাই রংপুরের জুম্মা পাড়ায় নেওয়া হয়, সেখানেই তাকে দাফন করা হয়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ মাসেও উদ্ধার হয়নি পুলিশের সেই ‘হ্যান্ডকাফ’

এতগুলো জীবনের বিনিময়ে তোমরা দেশ স্বাধীন করেছো, প্রিয়র মা

আপডেট সময় : ০১:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অগাস্ট ২০২৪

শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওযার সংবাদে রংপুরে শিক্ষার্থীদের বিজয় উদযাপন করতে দেখে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নিহত তাহির জামান প্রিয়র মা। গত ৫ আগস্ট) সোমবার বিকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আবু সাঈদ চত্ত্বরে শিক্ষার্থীদের বিজয় উদযাপন করতে দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় প্রিয়র মা সামছিআরা জামান বলেন, আবু সাঈদ যখন শহীদ হলো তখন অনেক কেঁদেছি। আমার ছেলে এই আন্দোলনে যেয়ে ঢাকায় শহীদ হয়েছে। তখন কাঁদতে পারিনি। আমি ভেবেছিলাম তোমাদের এখানে এসে কাঁদবো। আমি আসলে কাঁদতে পারছি না। এতগুলো জীবনের বিনিময়ে তোমরা দেশ স্বাধীন করেছো। ছাত্র সমাজ না দাঁড়ালে এই স্বাধীনতা আসতো না। তোমরা দেশকে মুক্ত করেছো বাবা এজন্য আমি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এখন আমার ছেলে নেই কিন্তু সব জায়গায় আমার ছেলেকে খুঁজে পেয়েছি। আজ তোমরাই আমার সন্তান। তাহির জামান প্রিয় দ্য রিপোর্ট নামে একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে সবশেষ ভিডিও জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন। রংপুর থেকে গত ১০ জুলাই রাতে ঢাকায় চলে যান তিনি। গত ১৯ জুলাই রাজধানীর সেন্ট্রাল রোডে নিউজের কাজে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকাল ৫টার দিকে নিহত হন। প্রিয়র মরদেহ ২১ জুলাই রংপুরের জুম্মা পাড়ায় নেওয়া হয়, সেখানেই তাকে দাফন করা হয়।