সৌদি আরবের তিন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুতিদের

শাফাক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:

সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দর ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে তিন দফায় কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। রোববার (২৫ অক্টোবর) সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এ দাবি করেন।

সারি জানান, প্রথম দফায় রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। দ্বিতীয় দফায় খামিস মুশাইত এলাকার কিং খালিদ বিমানঘাঁটির উড়োজাহাজ রাখার স্থান, গোলাবারুদের গুদাম, ড্রোন নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। তৃতীয় দফায় জিজান অঞ্চলে সৌদি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একটি নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

হুতিদের দাবি, হামলাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং এতে সৌদি সেনা ও কর্মকর্তাদের মৃত্যু হয়েছে, অনেকে আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের এ তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

এদিকে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে অনিরাপদ দাবি করে সেখানে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার জন্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিমান সংস্থা, বিমানকর্মী এবং যাত্রীদের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছে হুতিরা। পবিত্র মক্কা ও মদিনার আকাশসীমা বাদে সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহার না করারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

এর আগে রোববার সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, খামিস মুশাইত ও আহাদ রাফিদা এলাকায় হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুজন আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিনটি আবাসিক ভবন ও সাতটি যানবাহন।

অন্যদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, হুতিদের ছোড়া ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র ও দুটি ড্রোন প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ছিল।

 

প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, খামিস মুশাইত ও আহাদ রাফিদা এলাকায় হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুজন আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিনটি আবাসিক ভবন ও সাতটি যানবাহন।

অন্যদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, হুতিদের ছোড়া ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র ও দুটি ড্রোন প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ছিল।

 

২০২৬ সালের জুলাই থেকে সৌদি আরবে হুতিদের হামলা বাড়ছে। অক্টোবরে বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা আরও তীব্র হয়েছে।

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশটির বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে হুতিরা। তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট অভিযান চালিয়ে আসছে।

সূত্র: শাফাক নিউজ

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL