শেন ওয়ার্নের পর একমাত্র বোলার হিসেবে হাসানের এমন কীর্তি

সবুজ বাংলা ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:

সোমবার ২৭তম জন্মদিন পালন করেছেন বাংলাদেশের তারকা পেসার হাসান মাহমুদ। মাঠের ক্রিকেটে তিনি দারুণ উপভোগ্য সময় পার করছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান আবুধাবি টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনি শিকার করেন ৫ উইকেট। এর মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি শেন ওয়ার্নের পর একমাত্র বোলার হিসেবে নির্দিষ্ট চারটি দেশে ফাইফার পেলেন হাসান।

প্রথম ইনিংসে আফগানদের ২৪০ রানেই গুটিয়ে দেওয়ার পথে বাংলাদেশি এই গতিতারকা অবশ্য হ্যাটট্রিকও করেছিলেন। যাকে বলে ‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিক’। বোল্ড–ক্যাচ–এলবিডব্লিউ, দ্বিতীয় উইকেটে লিটন দাসের সহায়তা ছাড়া বাকি দুটিতেই কৃতিত্বটা পুরোপুরিই ‍হাসানের। এর আগে বাংলাদেশি কোনো পেসার টেস্টে হ্যাটট্রিক করতে পারেননি। পরবর্তীতে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার পূর্ণ করেন হাসান।

টেস্টে চারটি ভিন্ন দেশে (অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত) এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের এই তারকা। এর আগে ওই রেকর্ড আছে কেবল অজি কিংবদন্তি ওয়ার্নের। তিনিও হাসানের পাওয়া চারটি দেশে টেস্টে ৫ উইকেট পেয়েছেন। তার সঙ্গে হাসানের তুলনাটা বাহুল্য, তবে বাংলাদেশি পেসার হয়ে চারটি ভিন্ন কন্ডিশনে ফাইফার পাওয়া সহজ কথা নয়। ওয়ার্ন স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি ১৫টি ফাইফার নেন অস্ট্রেলিয়ায় ঘরের মাঠে। এ ছাড়া ভারতে ১, পাকিস্তানে ২ এবং আমিরাতে ১টি ফাইফার আছে তার।

টেস্ট ক্যারিয়ারে ওয়ার্নের ফাইফারের সংখ্যা অবশ্য ৩৭টি। আর তিনি এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন ৯টি দেশে। তার সমান ৯ দেশে ফাইফারের রেকর্ড আছে আরও তিনজনের– মুত্তিয়া মুরালিধরন, নাথান লায়ন ও ডেল স্টেইনের।

২০২৪ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক টেস্টে অভিষেকের পর হাসান মাহমুদ প্রথম ফাইফার পেয়েছেন তৃতীয় ম্যাচেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে ওই কীর্তি গড়ার পরবর্তী টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে চেন্নাইয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন তিনি। আর আফগানিস্তান সিরিজের আগে গত আগস্টে সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের ম্যাচে এক ইনিংসে নেন ৬ উইকেট। 

টেস্টের এক ইনিংসে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডটা সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলামের। উভয়েই সমান ১৯টি করে ফাইফার নেন। এরপর মেহেদি হাসান মিরাজের শিকার ১৫ ফাইফার। তবে পেসারদের মধ্যে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারবার ৫ উইকেট নিয়েছেন হাসান ও শাহাদাত হোসেন রাজিব। দুটি করে ফাইফার আছে নাহিদ রানা ও রবিউল ইসলামের।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL