সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য জঙ্গল সলিমপুর

এসএম দেলোয়ার হোসেন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:

★ অপরাধ দমনে থাকবে ওয়াচ টাওয়ার-সিসি ক্যামেরা 
★ নির্মাণ হবে সারদার মতো পুলিশ একাডেমি, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুটি সেনা ক্যাম্প
★ সম্প্রসারণ হবে সড়ক নেটওয়ার্ক, অপরাধীরা থাকবে নজরদারিতে

“রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে নষ্ট হয়ে যাওয়া কাঁটাতার পুনর্র্নিমাণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে জঙ্গল সলিমপুরের অপরাধ নির্মূলে ও অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে”
— সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে অপরাধীদের অভয়রণ্যে পরিণত হয়েছে। অপরাধীরা একের পর এক বন-পাহাড় উজার করে মাটি কাটা থেকে শুরু করে অপহরণ ও গুম-খুনের মতও ঘটনা ঘটাচ্ছে। সন্ত্রাসীরা নানা কৌশলে একের পর এক অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অব্যাহত অভিযানের মধ্যেও পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে অস্ত্রধারী পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ ইয়াছিনের পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি শটগান ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। অপরাধ দমনে জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। ড্রোন ক্যামেরায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ কররে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এবং জঙ্গল সলিমপুরের অপরাধ দমনে নির্মাণ করা হবে সারদার মতো পুলিশ একাডেমি ও স্থাপন করা হবে দুটি সেনা ক্যাম্প। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে জঙ্গল সলিমপুরের অপরাধ নির্মূলে ও অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সুনির্দিষ্ট কতটি অপরাধ সংঘটিত বা মামলা হয়েছে তার সঠিক তথ্য সরকারিভাবে নির্দিষ্ট করা না থাকলেও, এটি দীর্ঘ তিন দশক ধরে একটি বিশাল অপরাধের অভয়ারণ্য বা "নিষিদ্ধ সাম্রাজ্য" হিসেবে পরিচিত। তবে ২০২৬ সালের শুরু থেকে একের পর এক বড় ধরনের অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের পর এই এলাকার অপরাধের ভয়াবহ চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। ২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে সদ্য বিলুপ্ত র‌্যাবের উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়াকে হত্যার ঘটনায় ১টি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি আসামিকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধমুক্ত করতে গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবির ৩ হাজারের বেশি সদস্যের সমন্বয়ে একটি বড় অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানের পর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের দমনে ৩টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয় (যার মধ্যে র‌্যাব ১টি এবং পুলিশ ২টি মামলা করে)। এই অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে ২২ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আরেকটি মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। এই ঘটনার পর এবং ঘটনার সময় মিলিয়ে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে ২০ থেকে ২৫ জনকে আটক ও গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে একক অভিযানে জঙ্গল সলিমপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মশিউর রহমান, নলা কাশেম এবং সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী ইয়াছিনের ৫ সহযোগীসহ আরও বেশ কিছু অপরাধীকে বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ি এলাকায় জমি দখল, পাহাড় কাটা, প্লট বিক্রি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয়। এর মধ্যে ইয়াছিন বাহিনী অন্যতম। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আলীনগর এলাকায় ইয়াছিনের নিয়ন্ত্রণ ছিল। এর আগে গেল ৯ মার্চ জঙ্গল সলিমপুরে প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্যের অংশগ্রহণে যৌথ অভিযান চালায় সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি। ওই অভিযানে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ইয়াছিন ও রোকন উদ্দিনসহ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী পালিয়ে যায় বলে পুলিশ জানিয়েছিল। এর আগে গত মে মাসের দিকে কিছু অভিযান ব্যর্থ হয়েছিল কারণ ভেতরের তথ্য আগেভাগে ফাঁস হয়ে যেত। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে যারা চ্যালেঞ্জ করবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সংলগ্ন বেতুয়া এবং চা বাগান এলাকাতেও সন্ত্রাসী নির্মূল অভিযান চলছে। জঙ্গল সলিমপুরের প্রায় ৩০০ একর জায়গায় একটি আধুনিক পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে, যার জন্য জমি দেখে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ চলছে। বায়েজিদ লিংক রোডের পাশে জঙ্গল সলিমপুর মৌজায় প্রায় ৭২ একর (২৯ হেক্টর) জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারটি দ্রুত স্থানান্তর করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাস জমি দখল করে স্থানীয় কিছু সশস্ত্র গ্যাং এবং সন্ত্রাসী গ্রুপ এই এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছিল। ২০২৬ সালের ৯ ও ১০ মার্চের অভিযানে জঙ্গল সলিমপুর থেকে একে-৪৭, বিদেশি পিস্তল, পাইপগান, লেদ মেশিনসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় কমপক্ষে ৩টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে আলীনগর এলাকায় নির্মাণাধীন যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে ২০০ থেকে ৩০০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীর হামলার ঘটনায় ২৪২ জনের নামে বড় একটি মামলা করা হয়। এছাড়া এই এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলা, পাহাড় কাটা, অবৈধ প্লট বাণিজ্য, মাদক চোরাচালান, গুম ও খুনের একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। 

এদিকে, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে গুলি ছুড়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ ইয়াছিনের পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি শটগান ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গুলিতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্র মজুতের গোপন সংবাদে পুলিশ অভিযান চালাতে গেলে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। অর্থাৎ, বিচ্ছিন্নভাবে সন্ত্রাসীরা মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন অত্যন্ত তৎপর রয়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র ও পুলিশের তথ্য বলছে, দীর্ঘ ২০ থেকে ৩০ বছর এলাকাটি স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু মোহাম্মদ ইয়াছিনের নেতৃত্বাধীন একটি বড় সশস্ত্র গ্রুপ (ইয়াছিন বাহিনী) নিয়ন্ত্রণ করত। এই গ্রুপে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন সশস্ত্র সদস্য ছিল। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে র‌্যাবের এক কর্মকর্তা (মতিলেব হোসেন ভূঁইয়া) এই বাহিনীর হামলায় নিহত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়। ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ এবং বিজিবির প্রায় ৪,০০০ সদস্যের যৌথ বাহিনী জঙ্গল সলিমপুরের পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে এই পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় স্থায়ী পুলিশ ও এসআরবি ক্যাম্প স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে বজায় রাখা হচ্ছে। জঙ্গল সলিমপুরের প্রায় ৩ হাজার ১০০ একরের বেশি সরকারি খাস জমি ও পাহাড় অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে ছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে চলা যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এর বড় অংশই সরকারের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট করেছেন যে, যারা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করছেন, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। অবৈধ বসতিগুলো তাড়াহুড়ো করে ভাঙা হবে না। বরং সাধারণ মানুষকে পুনর্বাসন করা হবে এবং সেখানকার শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসা হবে। জঙ্গল সলিমপুর ইউনিয়নের সাথে সীতাকুণ্ড, ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে যুক্ত করতে একটি সমন্বিত সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। ড্রোন ইমেজ ও রোড ম্যাপ ব্যবহার করে এই পাহাড়ি অঞ্চলের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন কাজ চলছে। এলাকাটিকে চিরতরে সন্ত্রাসমুক্ত করতে পুলিশ, বিজিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) জন্য স্থায়ীভাবে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বাহিনীগুলো সেখানে স্থায়ী ক্যাম্প ও অবকাঠামো তৈরি করছে।

পুলিশ জানায়, জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি ও অস্ত্র মজুতের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়ে পাহাড়ের ভেতরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এবং অভিযানের খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। পরে অভিযান চালিয়ে ইয়াছিনের পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা এবং চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ওই সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অপরাধ দমনে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’টি সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নোয়াখালী পাড়া ও রোঙ্গিখালীর দুই পাহাড়ে অপহরণের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। সেখানে রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে দু’টি ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। এর ফলে এ জাতীয় অপরাধ নির্মূল হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে নষ্ট হয়ে যাওয়া কাঁটাতার পুনর্র্নিমাণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সোলার লাইটের মাধ্যমে লাইটিং করা হবে। সেই সঙ্গে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হবে এবং কিছুদূর পরপর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে ইসিবির নেতৃত্বে সড়ক নেটওয়ার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে, যেন জঙ্গল সলিমপুরের মৌজাগুলোতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হয়। সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য থেকে জঙ্গল সলিমপুরকে মুক্ত করে সুশাসনের মধ্যে নিয়ে আসা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে সারদার মতো পুলিশ একাডেমি করা হবে, এজন্য জমি দেখা হচ্ছে। চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্য সেখানে ৭২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, বায়েজিদ লিংক রোডের পাশে স্থানান্তর করা হবে। এ ছাড়া জঙ্গল সলিমপুরে যারা অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করেছেন, তাদের পুনর্বাসন নিয়েও কাজ চলছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহায়তায় এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন অবশ্যই সম্ভব, প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে ইতোমধ্যে অনেক সময় অতিবাহিত হয়েছে, সমস্যা অনেক গভীর হয়েছে। আশা করি, এই সমস্যা থেকে শিগগিরই মুক্তি পাবো। অপর এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অবশ্যই জনআস্থা অর্জন করেছি, তবে কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি, সেটি জনগণ বিচার করবে। জনআস্থা বহাল রাখাটাই আমাদের কাজ, আরও বেশি জনআস্থা অর্জন করা আমাদের চ্যালেঞ্জ।


 

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL