০৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে শিশুকে বড়দের ওষুধ প্রেসক্রাইব, অভিভাবকদের ক্ষোভ

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অবহেলার শিকার হয়েছেন সাড়ে তিন বছরের শিশু মমিনুল ইসলাম। অভিযোগ উঠেছে, তাকে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত ওষুধ প্রেসক্রাইব করা হয়েছিল।

শিশুর মা সেলিনা আক্তার বলেন, “ভুল ওষুধ খাওয়ালে আমার সন্তানের বড় ক্ষতি হতে পারতো। একজন ডাক্তার হয়ে শিশুদের চিকিৎসায় এমন অবহেলা ঠিক নয়। সরকারি হাসপাতাল হলেও বাইরে থেকে পরীক্ষা করাতে আমাদের ৬শ টাকা খরচ হয়েছে।” শিশুর মামা খায়রুল ইসলাম বলেন, “মাত্র সাড়ে তিন বছরের শিশুকে কীভাবে বড়দের ওষুধ দেওয়া হলো বুঝতে পারছি না। ডাক্তার কি ঘুমিয়ে প্রেসক্রিপশন করেছিলেন।”

 

ডা. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, সিআরএফ ও প্যারাসিটামল 500mg ক্যাপসুল শিশুর দেহের সঙ্গে মানিয়ে যায় না; শিশুর জন্য সিরাপ দেওয়া প্রয়োজন। অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. সাদিয়া আফরিন মৌসুমী বলেন, “রোগীর সরাসরি দেখা না হওয়ায় বা চাপের কারণে ভুলবশত এমন হতে পারে।”

ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এস. এম. জিয়াউল বারী বলেন, “প্রেসক্রিপশনে ভুল হলে খতিয়ে দেখা হবে। শিশুর পরীক্ষা-নিরীক্ষা আমাদের হাসপাতালেই করা সম্ভব।” স্থানীয়রা স্বাস্থ্যসেবায় এই ধরনের অবহেলার অভিযোগ জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।

এমআর/সবা

ত্রিশালে শিশুকে বড়দের ওষুধ প্রেসক্রাইব, অভিভাবকদের ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অবহেলার শিকার হয়েছেন সাড়ে তিন বছরের শিশু মমিনুল ইসলাম। অভিযোগ উঠেছে, তাকে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত ওষুধ প্রেসক্রাইব করা হয়েছিল।

শিশুর মা সেলিনা আক্তার বলেন, “ভুল ওষুধ খাওয়ালে আমার সন্তানের বড় ক্ষতি হতে পারতো। একজন ডাক্তার হয়ে শিশুদের চিকিৎসায় এমন অবহেলা ঠিক নয়। সরকারি হাসপাতাল হলেও বাইরে থেকে পরীক্ষা করাতে আমাদের ৬শ টাকা খরচ হয়েছে।” শিশুর মামা খায়রুল ইসলাম বলেন, “মাত্র সাড়ে তিন বছরের শিশুকে কীভাবে বড়দের ওষুধ দেওয়া হলো বুঝতে পারছি না। ডাক্তার কি ঘুমিয়ে প্রেসক্রিপশন করেছিলেন।”

 

ডা. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, সিআরএফ ও প্যারাসিটামল 500mg ক্যাপসুল শিশুর দেহের সঙ্গে মানিয়ে যায় না; শিশুর জন্য সিরাপ দেওয়া প্রয়োজন। অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. সাদিয়া আফরিন মৌসুমী বলেন, “রোগীর সরাসরি দেখা না হওয়ায় বা চাপের কারণে ভুলবশত এমন হতে পারে।”

ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এস. এম. জিয়াউল বারী বলেন, “প্রেসক্রিপশনে ভুল হলে খতিয়ে দেখা হবে। শিশুর পরীক্ষা-নিরীক্ষা আমাদের হাসপাতালেই করা সম্ভব।” স্থানীয়রা স্বাস্থ্যসেবায় এই ধরনের অবহেলার অভিযোগ জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।

এমআর/সবা