০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষীপুর কারাগারে বিএনপি কর্মির মৃত্যু

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আবুল বাশার (৪৫) নামে এক বিএনপি কর্মির লক্ষীপুর জেলা কারাগারে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত বাশার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ভবানী জীবনপুর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মি ছিলেন বলে দাবি করেছে পরিবার।
নিহতের ভাই মনির হোসেন ও মহিন উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তাদের ভাই বাশার এলাকায় মাটি ও বালুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গত বুধবার ১৪ জানুয়ারি গভীর রাতে লক্ষীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ও চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল তাকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যায়। এ সময় তারা ১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এরপর দুদিন তাকে থানায় আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। পরে একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।
তারা আরও জানান, মঙ্গলবার বিকেলে কারাগারে থাকা অবস্থায় তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বুধবার ভোরে তিনি পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মোর্শেদ আলমের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, আমি আদালতে আছি। পরে কথা বলব।
লক্ষীপুর জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো.নজরুল ইসলাম বলেন, একটি ডাকাতির মামলায় গত ১৬ জানুয়ারি তাকে কারাগারে আনা হয়। নিহতের দুই কেইস পার্টনার আমাকে জানিয়েছে তাকে গ্রেপ্তারের পর ডিবি পুলিশ থানায় নিয়ে মারধর করেছে। মারধরের বিষয়টি জানার পর ওই হাজতিকে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষীপুর কারাগারে বিএনপি কর্মির মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:০৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আবুল বাশার (৪৫) নামে এক বিএনপি কর্মির লক্ষীপুর জেলা কারাগারে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত বাশার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ভবানী জীবনপুর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মি ছিলেন বলে দাবি করেছে পরিবার।
নিহতের ভাই মনির হোসেন ও মহিন উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তাদের ভাই বাশার এলাকায় মাটি ও বালুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গত বুধবার ১৪ জানুয়ারি গভীর রাতে লক্ষীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ও চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল তাকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যায়। এ সময় তারা ১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এরপর দুদিন তাকে থানায় আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। পরে একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।
তারা আরও জানান, মঙ্গলবার বিকেলে কারাগারে থাকা অবস্থায় তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বুধবার ভোরে তিনি পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মোর্শেদ আলমের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, আমি আদালতে আছি। পরে কথা বলব।
লক্ষীপুর জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো.নজরুল ইসলাম বলেন, একটি ডাকাতির মামলায় গত ১৬ জানুয়ারি তাকে কারাগারে আনা হয়। নিহতের দুই কেইস পার্টনার আমাকে জানিয়েছে তাকে গ্রেপ্তারের পর ডিবি পুলিশ থানায় নিয়ে মারধর করেছে। মারধরের বিষয়টি জানার পর ওই হাজতিকে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
শু/সবা