০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

 কক্সবাজার-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মিজান সাঈদের ভোট বর্জন

ভোট বর্জন করেছেন কক্সবাজার-৩ আসনের (সদর-রামু-ঈদগাঁও) স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ। তিনি ওই আসন থেকে ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। রবিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার নির্বাচনি এলাকার নৌকা মনোনীত প্রার্থী সাইমুম সরওয়ার কমল তার নেতাকর্মীদেরকে দিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে জাল ভোট দিচ্ছেন। এমনকি প্রতিটি কেন্দ্রে ঈগল প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সেজন্য তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। বিশেষ করে রামু উপজেলায় একটা পোস্টার তো দুরের কথা এজেন্ট পর্যন্ত দিতে দেয়নি।
তিনি জানান, সুষ্ঠু ও উৎসবমূখর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি একবারেই নগন্য। যাকে প্রহসনের নির্বাচন বলা চলে। নৌকার প্রার্থীর কমলের কর্মী-সমর্থকরা তার কর্মীদেরকে ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।  তিনি এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে অবহিত করেও কোনো সাড়া পাননি। যার জন্য তিনি ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরও বলেন, কেউ কথা রাখেনি। প্রশাসনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট্ সবাই ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশ্বাস দিয়ে ভোটে নামিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার সম্পূর্ণ উল্টো এটা তো ভোট হতে পারে না। তাই ভোট স্থগিত করে পুন:র্নিবাচনের দাবীও জানাচ্ছি। সেই সাথে তার সমস্ত কর্মী-সমর্থকদের মাঠ থেকে চলে আসার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিবি পরিচালক পদত্যাগ না করলে ক্রিকেট বর্জনের আলটিমেটাম

 কক্সবাজার-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মিজান সাঈদের ভোট বর্জন

আপডেট সময় : ০৩:০৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৪
ভোট বর্জন করেছেন কক্সবাজার-৩ আসনের (সদর-রামু-ঈদগাঁও) স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ। তিনি ওই আসন থেকে ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। রবিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার নির্বাচনি এলাকার নৌকা মনোনীত প্রার্থী সাইমুম সরওয়ার কমল তার নেতাকর্মীদেরকে দিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে জাল ভোট দিচ্ছেন। এমনকি প্রতিটি কেন্দ্রে ঈগল প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সেজন্য তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। বিশেষ করে রামু উপজেলায় একটা পোস্টার তো দুরের কথা এজেন্ট পর্যন্ত দিতে দেয়নি।
তিনি জানান, সুষ্ঠু ও উৎসবমূখর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি একবারেই নগন্য। যাকে প্রহসনের নির্বাচন বলা চলে। নৌকার প্রার্থীর কমলের কর্মী-সমর্থকরা তার কর্মীদেরকে ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।  তিনি এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে অবহিত করেও কোনো সাড়া পাননি। যার জন্য তিনি ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরও বলেন, কেউ কথা রাখেনি। প্রশাসনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট্ সবাই ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশ্বাস দিয়ে ভোটে নামিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার সম্পূর্ণ উল্টো এটা তো ভোট হতে পারে না। তাই ভোট স্থগিত করে পুন:র্নিবাচনের দাবীও জানাচ্ছি। সেই সাথে তার সমস্ত কর্মী-সমর্থকদের মাঠ থেকে চলে আসার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।