০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলার আসামী নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আল মামুন হত্যাকান্ডের ঘটনায় আসামি নারী মাদক ব্যবসায়ী শিমা বেগমকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব ১১) এর একটি টিম। ৮ অক্টোবর মুন্সিগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ী থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শিমা এ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।
সোমবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে র‍্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেপ্তারকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ ও এজাহার পর্যালোচনায় জানা যায় যে, আসামিদের সঙ্গে নিহত আল-মামুনের মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জের ধরে আসামি শিমা বেগম ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মিলে গত ২০২২ সালের ৫ ডিসেম্বর ফতুল্লা মডেল থানাধীন ইসদাইর স্টেডিয়াম রোড এলাকায় আল-মামুনকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশে দেশীয় অস্ত্র ছোরা, চাকু, সুইচ গিয়ার, লোহার রড ও লাঠি-শোটা দিয়ে আঘাত করে মারাত্মক জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মামুনের পিতা মোঃ বাবুল মিয়া এ ঘটনায় ৬ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ইবির বঙ্গবন্ধু হলের পকেট গেট বন্ধ করে দিল প্রশাসন 

নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলার আসামী নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:১২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আল মামুন হত্যাকান্ডের ঘটনায় আসামি নারী মাদক ব্যবসায়ী শিমা বেগমকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব ১১) এর একটি টিম। ৮ অক্টোবর মুন্সিগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ী থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শিমা এ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।
সোমবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে র‍্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেপ্তারকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ ও এজাহার পর্যালোচনায় জানা যায় যে, আসামিদের সঙ্গে নিহত আল-মামুনের মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জের ধরে আসামি শিমা বেগম ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মিলে গত ২০২২ সালের ৫ ডিসেম্বর ফতুল্লা মডেল থানাধীন ইসদাইর স্টেডিয়াম রোড এলাকায় আল-মামুনকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশে দেশীয় অস্ত্র ছোরা, চাকু, সুইচ গিয়ার, লোহার রড ও লাঠি-শোটা দিয়ে আঘাত করে মারাত্মক জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মামুনের পিতা মোঃ বাবুল মিয়া এ ঘটনায় ৬ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।