০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে এবার রেকর্ড পরিমাণ আমন ধানের উৎপাদন

রাজশাহী অঞ্চলে চলতি মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ আমন ধানের উৎপাদন
হয়েছে। প্রতি বিঘায় জাত অনুযায়ী ২০-২৫ মণ ধানের ফলন হয়েছে। গত
মৌসুমের চেয়ে বিঘায় দুই থেকে তিন মণ ধান বেশি উৎপাদন হয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, সময়মত সেচ দিতে পারায় ভালো ফলন পাওয়া গেছে।
কৃষি অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ৯০ ভাগ আমন ধান কাটা-মাড়াই
সম্পূর্ণ হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ধানকাটা মাড়াই সম্পন্ন
হবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, রাজশাহীর ৯ উপজেলায় ২০২৩-
২৪ অর্থবছরে আমনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮১ হাজার ৭৫৯ হেক্টর। আবাদ হয়েছে ৮৩
হাজার ১৭৭ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ৯১ হাজার ৬২
মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ হাজার ৫০
হেক্টর। আবাদ হয়েছিল ৮০ হাজার ৮৩২ হেক্টর। উৎপাদন হয়েছিল দুই লাখ ৮৬
হাজার ১৪৫ মেট্রিক টন। গত বছরের মতো এবারও বেশি জমিতে আবাদ
হওয়ায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
গোদাগাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি
মৌসুমে উপজেলায় ২৩ হাজার ৬৪৬ হেক্টর জমিতে ৩০টি জাতের আমন ধান
চাষ হয়েছে। উপজেলা কেশবপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ২০বিঘা জমিতে
ব্রি ধান ৫১,ব্রি ধান ২৮ ও কালজিরা ধান চাষ হয়। বিঘা প্রতি ২৩ মণ ধান
উৎপাদন হয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ৩০ বছর ধরে কৃষি কাজের সঙ্গে
জড়িত। এবার যে পরিমাণ ধান উৎপাদন হয়েছে তা কখনো হয়নি। উপজেলার
দেওপাড়া ইউনিয়নের ইশ্বরীপুর ধামিলা গ্রামের কৃষক আনিসুজাজামান
ডলার ২বিঘা জমিতে ব্রি ধান ১০৩ জাতের ধান চাষ করেছে।
বিঘা প্রতি ২০ মণ ধানের ফলন পেয়ে ্ধসঢ়;এই কৃষক বলেন ব্রি-১০৩ জাতের
ধান চিকুন হওয়ায় হাট বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় চাহিদাও বেশি।
আগামীতে এই জাতের ধান বেশি জমিতে চাষ করবেন বলে জানান। আড়াই
বিঘা জমিতে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোদাগাড়ী
উপজেলার শিবসাগর এলাকার কৃষক মোখলেসুর রহমান। তিনি বলেন,
‘আড়াই বিঘা জমি আবাদ করেছি। এখন পর্যন্ত ধানের কোনও ক্ষয়ক্ষতি
হয়নি। প্রতি বিঘায় ২২ মণের ওপরে ফলন হবে বলে আশা করছি। গোদাগাড়ী
কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ বলেন, জমিতে চারা রোপন করা থেকে ধান
কাটা মাড়াই পর্যন্ত কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা
করেছে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষকরা ধান চাষে আগের চেয়ে
অনেক সচেতন। জমিতে সঠিক পদ্ধতিতে সেচ ও সার প্রয়োগ করেছে।

এছাড়াও ধান পাকা মাত্রই কাটা মাড়াই সম্পর্ণ করার কারণে ধান নষ্ট হয়নি।
এতে করে ফলন ভালো পাওয়া গেছে।

রাজশাহীতে এবার রেকর্ড পরিমাণ আমন ধানের উৎপাদন

আপডেট সময় : ০২:২২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৪

রাজশাহী অঞ্চলে চলতি মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ আমন ধানের উৎপাদন
হয়েছে। প্রতি বিঘায় জাত অনুযায়ী ২০-২৫ মণ ধানের ফলন হয়েছে। গত
মৌসুমের চেয়ে বিঘায় দুই থেকে তিন মণ ধান বেশি উৎপাদন হয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, সময়মত সেচ দিতে পারায় ভালো ফলন পাওয়া গেছে।
কৃষি অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ৯০ ভাগ আমন ধান কাটা-মাড়াই
সম্পূর্ণ হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ধানকাটা মাড়াই সম্পন্ন
হবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, রাজশাহীর ৯ উপজেলায় ২০২৩-
২৪ অর্থবছরে আমনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮১ হাজার ৭৫৯ হেক্টর। আবাদ হয়েছে ৮৩
হাজার ১৭৭ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ৯১ হাজার ৬২
মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ হাজার ৫০
হেক্টর। আবাদ হয়েছিল ৮০ হাজার ৮৩২ হেক্টর। উৎপাদন হয়েছিল দুই লাখ ৮৬
হাজার ১৪৫ মেট্রিক টন। গত বছরের মতো এবারও বেশি জমিতে আবাদ
হওয়ায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
গোদাগাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি
মৌসুমে উপজেলায় ২৩ হাজার ৬৪৬ হেক্টর জমিতে ৩০টি জাতের আমন ধান
চাষ হয়েছে। উপজেলা কেশবপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ২০বিঘা জমিতে
ব্রি ধান ৫১,ব্রি ধান ২৮ ও কালজিরা ধান চাষ হয়। বিঘা প্রতি ২৩ মণ ধান
উৎপাদন হয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ৩০ বছর ধরে কৃষি কাজের সঙ্গে
জড়িত। এবার যে পরিমাণ ধান উৎপাদন হয়েছে তা কখনো হয়নি। উপজেলার
দেওপাড়া ইউনিয়নের ইশ্বরীপুর ধামিলা গ্রামের কৃষক আনিসুজাজামান
ডলার ২বিঘা জমিতে ব্রি ধান ১০৩ জাতের ধান চাষ করেছে।
বিঘা প্রতি ২০ মণ ধানের ফলন পেয়ে ্ধসঢ়;এই কৃষক বলেন ব্রি-১০৩ জাতের
ধান চিকুন হওয়ায় হাট বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় চাহিদাও বেশি।
আগামীতে এই জাতের ধান বেশি জমিতে চাষ করবেন বলে জানান। আড়াই
বিঘা জমিতে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোদাগাড়ী
উপজেলার শিবসাগর এলাকার কৃষক মোখলেসুর রহমান। তিনি বলেন,
‘আড়াই বিঘা জমি আবাদ করেছি। এখন পর্যন্ত ধানের কোনও ক্ষয়ক্ষতি
হয়নি। প্রতি বিঘায় ২২ মণের ওপরে ফলন হবে বলে আশা করছি। গোদাগাড়ী
কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ বলেন, জমিতে চারা রোপন করা থেকে ধান
কাটা মাড়াই পর্যন্ত কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা
করেছে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষকরা ধান চাষে আগের চেয়ে
অনেক সচেতন। জমিতে সঠিক পদ্ধতিতে সেচ ও সার প্রয়োগ করেছে।

এছাড়াও ধান পাকা মাত্রই কাটা মাড়াই সম্পর্ণ করার কারণে ধান নষ্ট হয়নি।
এতে করে ফলন ভালো পাওয়া গেছে।