১০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ফেনীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা পেলো ৭শ ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ

 
গতানুগতিক প্লেট, বাটি, গ্লাস, জগ পুরস্কার দেয়া থেকে বের হতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উপহার ও পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত তেমনি খুশি অভিভাবকরাও।

ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের ফকিরহাট আবু বক্কর উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাত শতাধিক গাছ তুলে দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, অভিভাবক সমাবেশ ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল।

ফকিরহাট আবু বক্কর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ আবদুর শুক্কুর মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান একে শহীদ উল্যাহ খোন্দকার, বালিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বাহার, কালিদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ডালিম, ধলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার আহমদ মুন্সী, প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ওমর ফারুক, পরিচালনা পর্ষদের দাতা সদস্য শেখ সেলিম, সদস্য ছানা উল্লাহ ফয়সাল প্রমুখ।

এর আগে প্রধান অতিথিসহ আগতরা স্কুলে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করেন।

শেখ আবদুর শুক্কুর মানিক বলেন, গতানুগতিক ধারার পুরস্কার প্লেট, বাটি, গ্লাস ও জগ থেকে বের হতে দেশে সবুজ বনায়নে উদ্বুদ্ধ করতে এবার শিক্ষার্থীদের গাছ উপহার ও পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শুসেন চন্দ্র শীল বলেন,
অভিভাবকরা আন্তরিক হলে সন্তানরা ভালো শিক্ষার্থী হিসাবে গড়ে উঠবে। শহরের বেশিরভাগ অভিভাবক স্কুল শুরু ও শেষ হওয়ার সময় তাদের সন্তানদের নিয়ে সময় দিচ্ছে। গ্রামের অভিভাবকরা সে রকম সময় দেয় না। বর্তমান সরকার শিক্ষা নীতিকে ঢেলে সাজিয়েছে। শিক্ষকদের পাশাপাশি পড়ালেখার বিষয়ে খোঁজ রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে সন্তান ঠিক সময় স্কুলে যাচ্ছে কিনা, সময় মতো বাড়ী ফিরছে কিনা।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মনে রাখতে হবে আগামীর স্মাট বাংলাদেশ তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সেজন্য তোমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। নিজেদের উন্নত বাংলাদেশের অংশীদার করে নিতে হবে। তাহলে বঙ্গবন্ধু কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এখন আর শ্রেনী কক্ষের জন্য ক্লাস করতে কষ্ট করতে হয় না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এ বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিতে ছাত্রছাত্রীদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে তুমি কি করবো। আগামী ২০৪১ সালের বাংলাদেশে আজকের শিক্ষার্থীরা দেশের হাল ধরবে। জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সঠিক সময়ে নিজেকে প্রস্তুত হতে হবে।

ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ফেনীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা পেলো ৭শ ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ

আপডেট সময় : ০৬:১৬:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
 
গতানুগতিক প্লেট, বাটি, গ্লাস, জগ পুরস্কার দেয়া থেকে বের হতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উপহার ও পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত তেমনি খুশি অভিভাবকরাও।

ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের ফকিরহাট আবু বক্কর উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাত শতাধিক গাছ তুলে দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, অভিভাবক সমাবেশ ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল।

ফকিরহাট আবু বক্কর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ আবদুর শুক্কুর মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান একে শহীদ উল্যাহ খোন্দকার, বালিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বাহার, কালিদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ডালিম, ধলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার আহমদ মুন্সী, প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ওমর ফারুক, পরিচালনা পর্ষদের দাতা সদস্য শেখ সেলিম, সদস্য ছানা উল্লাহ ফয়সাল প্রমুখ।

এর আগে প্রধান অতিথিসহ আগতরা স্কুলে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করেন।

শেখ আবদুর শুক্কুর মানিক বলেন, গতানুগতিক ধারার পুরস্কার প্লেট, বাটি, গ্লাস ও জগ থেকে বের হতে দেশে সবুজ বনায়নে উদ্বুদ্ধ করতে এবার শিক্ষার্থীদের গাছ উপহার ও পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শুসেন চন্দ্র শীল বলেন,
অভিভাবকরা আন্তরিক হলে সন্তানরা ভালো শিক্ষার্থী হিসাবে গড়ে উঠবে। শহরের বেশিরভাগ অভিভাবক স্কুল শুরু ও শেষ হওয়ার সময় তাদের সন্তানদের নিয়ে সময় দিচ্ছে। গ্রামের অভিভাবকরা সে রকম সময় দেয় না। বর্তমান সরকার শিক্ষা নীতিকে ঢেলে সাজিয়েছে। শিক্ষকদের পাশাপাশি পড়ালেখার বিষয়ে খোঁজ রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে সন্তান ঠিক সময় স্কুলে যাচ্ছে কিনা, সময় মতো বাড়ী ফিরছে কিনা।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মনে রাখতে হবে আগামীর স্মাট বাংলাদেশ তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সেজন্য তোমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। নিজেদের উন্নত বাংলাদেশের অংশীদার করে নিতে হবে। তাহলে বঙ্গবন্ধু কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এখন আর শ্রেনী কক্ষের জন্য ক্লাস করতে কষ্ট করতে হয় না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এ বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিতে ছাত্রছাত্রীদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে তুমি কি করবো। আগামী ২০৪১ সালের বাংলাদেশে আজকের শিক্ষার্থীরা দেশের হাল ধরবে। জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সঠিক সময়ে নিজেকে প্রস্তুত হতে হবে।