১২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন ভালো কী খারাপ হয়েছে সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় না: সিইসি

নির্বাচন ভালো হয়েছে কী খারাপ- সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, ‘সামনে আরও অনেকগুলো নির্বাচন আছে, উপ-নির্বাচন। সেগুলোও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। আমরা খুবই খুশি হতাম এটা নির্দ্বিধায় বলেছি, যদি নির্বাচন আরও অনেক বেশি অংশগ্রহণমূলক হতো, তাহলে ভোটার উপস্থিতি আরও বেশি হতো। নির্বাচনটা সর্বজনীন হোক। বড় বড় দল অংশ না নিলে নির্বাচন অবৈধ হবে না। তবে নির্বাচনের ন্যায্যতা, গ্রহণযোগ্যতা খর্ব হবে।’

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে আরএফইডির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্বগ্রহণ ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ক্ষমতা নয় দায়িত্বটাই আমাদের গ্রহণ করতে হয়। ক্ষমতা শব্দটিকে যদি আমরা পরিহার করতে পারি তাহলে সমাজ অনেক বেশি এগিয়ে যেতে পারে। গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে লম্বা বক্তৃতা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অনেক সময় কিন্তু রাষ্ট্রের স্তম্ভগুলো কাজ করে না, তখন সবগুলো কাজ গণমাধ্যম একাই করে সমাজকে বাঁচিয়ে রাখে। যদি গণমাধ্যম সেই জায়গায় যায় যে শূন্যস্থান… সেখানে এগিয়ে এলে জবাবদিহি আরও নিশ্চিত হয়।’

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমকে আমরা পছন্দ করি না বা ঘৃণা করি, যখন আমার প্রশংসা করা হয় তখন ভালো লাগে। কিন্তু আমাকে জানতে হবে প্রশংসা নয়, সমালোচনার জায়গায় সমালোচনা করতে হবে। সমালোচনার জায়গায় ছাড় দেওয়া যাবে না। এই সাহসী ভূমিকা গণমাধ্যমের পালন করতে হবে। এটাই গণমাধ্যমের ভূমিকা। দেশের গণমাধ্যমের প্রতি আমি যথেষ্ট আস্থাশীল। অনেক পেপার-পত্রিকা পড়ি, টেলিভিশন চ্যানেলগুলো দেখি- আমাদের গণমাধ্যমের ভূমিকা যে খুব নেতিবাচক তা বলা যাবে না। আমি তখনই ক্ষুব্ধ হয়ে যাই, যখন আমার বিরুদ্ধে কিছু থাকে- এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

সিইসি বলেন, ‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার গুরুত্ব আছে। বিশ্বের দিকে যদি দেখি ক্ষমতার যে শক্তি সেই শক্তি যে কত বড় শক্তি তা আমরা গাজাতে দেখেছি। গণমাধ্যম আমাদের জাগ্রত করে রেখেছে। আমরা অনেক সময় চোখের পানিও ফেলি। গণমাধ্যম যদি ব্ল্যাকআউট করে দিতো তাহলে গাজাতে কী হচ্ছে আমরা জানতাম না।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনটা ভালো হয়েছে কী খারাপ হয়েছে সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় না। সামনে আরও অনেকগুলো নির্বাচন আছে, উপ-নির্বাচন, সেগুলোকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্ব গড়ে তোলার যে দায়িত্ব, সেখানে যদি নেতৃত্ব শক্তিশালী না হয়, তাহলে জাতীয় পর্যায়েও নেতৃত্ব শক্তিশালী হবে না। তৃণমূলের সংস্থাগুলোয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার প্রয়োজন আছে। সেখানেও গণমাধ্যমের ভূমিকা আছে। সেখানে গণতন্ত্র কতটা কাজ করছে, কতটা কাজ করছে না, এগুলো তুলে আনতে হবে।’

অব্যাহত অভিযানেও চলছে অবৈধ ক্লিনিক হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার

নির্বাচন ভালো কী খারাপ হয়েছে সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় না: সিইসি

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নির্বাচন ভালো হয়েছে কী খারাপ- সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, ‘সামনে আরও অনেকগুলো নির্বাচন আছে, উপ-নির্বাচন। সেগুলোও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। আমরা খুবই খুশি হতাম এটা নির্দ্বিধায় বলেছি, যদি নির্বাচন আরও অনেক বেশি অংশগ্রহণমূলক হতো, তাহলে ভোটার উপস্থিতি আরও বেশি হতো। নির্বাচনটা সর্বজনীন হোক। বড় বড় দল অংশ না নিলে নির্বাচন অবৈধ হবে না। তবে নির্বাচনের ন্যায্যতা, গ্রহণযোগ্যতা খর্ব হবে।’

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে আরএফইডির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্বগ্রহণ ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ক্ষমতা নয় দায়িত্বটাই আমাদের গ্রহণ করতে হয়। ক্ষমতা শব্দটিকে যদি আমরা পরিহার করতে পারি তাহলে সমাজ অনেক বেশি এগিয়ে যেতে পারে। গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে লম্বা বক্তৃতা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অনেক সময় কিন্তু রাষ্ট্রের স্তম্ভগুলো কাজ করে না, তখন সবগুলো কাজ গণমাধ্যম একাই করে সমাজকে বাঁচিয়ে রাখে। যদি গণমাধ্যম সেই জায়গায় যায় যে শূন্যস্থান… সেখানে এগিয়ে এলে জবাবদিহি আরও নিশ্চিত হয়।’

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমকে আমরা পছন্দ করি না বা ঘৃণা করি, যখন আমার প্রশংসা করা হয় তখন ভালো লাগে। কিন্তু আমাকে জানতে হবে প্রশংসা নয়, সমালোচনার জায়গায় সমালোচনা করতে হবে। সমালোচনার জায়গায় ছাড় দেওয়া যাবে না। এই সাহসী ভূমিকা গণমাধ্যমের পালন করতে হবে। এটাই গণমাধ্যমের ভূমিকা। দেশের গণমাধ্যমের প্রতি আমি যথেষ্ট আস্থাশীল। অনেক পেপার-পত্রিকা পড়ি, টেলিভিশন চ্যানেলগুলো দেখি- আমাদের গণমাধ্যমের ভূমিকা যে খুব নেতিবাচক তা বলা যাবে না। আমি তখনই ক্ষুব্ধ হয়ে যাই, যখন আমার বিরুদ্ধে কিছু থাকে- এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

সিইসি বলেন, ‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার গুরুত্ব আছে। বিশ্বের দিকে যদি দেখি ক্ষমতার যে শক্তি সেই শক্তি যে কত বড় শক্তি তা আমরা গাজাতে দেখেছি। গণমাধ্যম আমাদের জাগ্রত করে রেখেছে। আমরা অনেক সময় চোখের পানিও ফেলি। গণমাধ্যম যদি ব্ল্যাকআউট করে দিতো তাহলে গাজাতে কী হচ্ছে আমরা জানতাম না।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনটা ভালো হয়েছে কী খারাপ হয়েছে সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় না। সামনে আরও অনেকগুলো নির্বাচন আছে, উপ-নির্বাচন, সেগুলোকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্ব গড়ে তোলার যে দায়িত্ব, সেখানে যদি নেতৃত্ব শক্তিশালী না হয়, তাহলে জাতীয় পর্যায়েও নেতৃত্ব শক্তিশালী হবে না। তৃণমূলের সংস্থাগুলোয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার প্রয়োজন আছে। সেখানেও গণমাধ্যমের ভূমিকা আছে। সেখানে গণতন্ত্র কতটা কাজ করছে, কতটা কাজ করছে না, এগুলো তুলে আনতে হবে।’