১১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত কার্জন হল এলাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সামনের রাস্তায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। সোমবার (১৫ জুলাই) দু’পক্ষই প্রচুর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছে। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও পাওয়া যায়।

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ছাত্রলীগের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কের অবস্থান করছেন। তবে কারা এসব ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্যদিকে ক্যাম্পাসজুড়ে বিশৃঙ্খল অবস্থা থাকলেও এখন পর্যন্ত দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা, শিক্ষক কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাউকে দেখা যায়নি।

এদিকে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে পরবর্তী ৩ মিনেটে আরও ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। এই মুহূর্তে ছাত্রলীগের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী শহীদুল্লাহ হলের সামনে লাঠিসোঁটাসহ অবস্থান নিয়েছেন। ঘটানাস্থলে রয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। বিকেল ৩টায় হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর দুই পক্ষই ইট-পাটকেল লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হলে কক্ষে কক্ষে গিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তল্লাশি চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীদের চড় থাপ্পড় ও মারধরের অভিযোগও করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল এলাকায় বিজ্ঞানের হলগুলোতে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ধরেছে মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এখানে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সাড়ে পাঁচটা থেকে এখানে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া শুরু হয়। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সেখানে সংঘর্ষ চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত কার্জন হল এলাকা

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সামনের রাস্তায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। সোমবার (১৫ জুলাই) দু’পক্ষই প্রচুর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছে। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও পাওয়া যায়।

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ছাত্রলীগের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কের অবস্থান করছেন। তবে কারা এসব ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্যদিকে ক্যাম্পাসজুড়ে বিশৃঙ্খল অবস্থা থাকলেও এখন পর্যন্ত দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা, শিক্ষক কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাউকে দেখা যায়নি।

এদিকে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে পরবর্তী ৩ মিনেটে আরও ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। এই মুহূর্তে ছাত্রলীগের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী শহীদুল্লাহ হলের সামনে লাঠিসোঁটাসহ অবস্থান নিয়েছেন। ঘটানাস্থলে রয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। বিকেল ৩টায় হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর দুই পক্ষই ইট-পাটকেল লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হলে কক্ষে কক্ষে গিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তল্লাশি চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীদের চড় থাপ্পড় ও মারধরের অভিযোগও করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল এলাকায় বিজ্ঞানের হলগুলোতে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ধরেছে মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এখানে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সাড়ে পাঁচটা থেকে এখানে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া শুরু হয়। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সেখানে সংঘর্ষ চলমান রয়েছে।