ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের ভোরবাজার সুলতানপুর গ্রামে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক আবুল বাশার গাজীকে বুধবার তিনটার দিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ পেলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভিকটিম শিশুটি তার ভিডিও বক্তব্যে জানায়, আবুল বাশার গাজী দীর্ঘ ছয় বছর ধরে ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করেছে। এমনকি এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকেও দিয়ে তাকে ধর্ষণ করিয়েছে এবং এসব ঘটনার ভিডিও গোপনে ধারণ করেছে। পরে ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে ওই বৃদ্ধের কাছ থেকে দুই দফায় মোট ১৫ হাজার টাকা আদায় করে বাশার।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্র জানায়, আবুল বাশার তার দোকানে সার্টার বন্ধ করে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় যুবদল নেতা সোহাগ জানান, আবুল বাশার ওই ভিডিও নিজের কাছে রেখে বৃদ্ধের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছে এবং নিজেও শিশুটিকে ধর্ষণ করেছে।
ভিকটিম শিশুর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ নবাবপুর ইউনিয়নের গোয়ালিয়া গ্রামের আলু বেপারী বাড়ি থেকে আবুল বাশার গাজীকে গ্রেফতার করে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে অপরাধের বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় নিন্দার ঝড় বইছে। স্থানীয়রা বাশার’র দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতারে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকায়।
এমআর/সবা



















