১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আর্থিক লেনদেন নিয়ে শাহবাগে এনসিপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

রাজধানীর শাহবাগে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে এ ঘটনা ঘটে। এতে ইউসুফ নামে এক কর্মী আহত হয় বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কনভেনশন হলের তৃতীয় তলায় এনসিপি ঢাকা মহানগর ও জেলা ইউনিটের সমন্বয় সভা চলছিল। এসময় দ্বিতীয় তলায় মোহাম্মদপুর ও বংশাল থানা ইউনিটের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

আরও জানা যায়, তিন মাস আগে বংশাল থানার কয়েকজন নেতা মোহাম্মদপুরের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করেন। বিষয়টি ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতা শোয়েবের মাধ্যমে মোহাম্মদপুর থানার রিয়ান নামে এক নেতাকে জানানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, রিয়ান বংশালের নেতাদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে ফেরত দেননি এবং পরে তাদের আটকে রাখারও চেষ্টা করেন।

পরে টাকা ফেরতের দাবিতে শুক্রবার কনভেনশন হলে দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব সাইফ মোস্তাফিজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘সমন্বয় সভার বাইরে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা কাটাকাটির জেরে দুই পক্ষের উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। পরে সিনিয়রদের হস্তক্ষেপে তা সমাধান হয়ে গেছে।’’

‘‘আর মারামারির যে ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে, সেটা দুজন কর্মীর পুরোনো ব্যক্তিগত লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব  নিয়ে। দলীয় কোনও কারণে নয়’’, বলেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিবি পরিচালক পদত্যাগ না করলে ক্রিকেট বর্জনের আলটিমেটাম

আর্থিক লেনদেন নিয়ে শাহবাগে এনসিপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর শাহবাগে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে এ ঘটনা ঘটে। এতে ইউসুফ নামে এক কর্মী আহত হয় বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কনভেনশন হলের তৃতীয় তলায় এনসিপি ঢাকা মহানগর ও জেলা ইউনিটের সমন্বয় সভা চলছিল। এসময় দ্বিতীয় তলায় মোহাম্মদপুর ও বংশাল থানা ইউনিটের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

আরও জানা যায়, তিন মাস আগে বংশাল থানার কয়েকজন নেতা মোহাম্মদপুরের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করেন। বিষয়টি ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতা শোয়েবের মাধ্যমে মোহাম্মদপুর থানার রিয়ান নামে এক নেতাকে জানানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, রিয়ান বংশালের নেতাদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে ফেরত দেননি এবং পরে তাদের আটকে রাখারও চেষ্টা করেন।

পরে টাকা ফেরতের দাবিতে শুক্রবার কনভেনশন হলে দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব সাইফ মোস্তাফিজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘সমন্বয় সভার বাইরে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা কাটাকাটির জেরে দুই পক্ষের উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। পরে সিনিয়রদের হস্তক্ষেপে তা সমাধান হয়ে গেছে।’’

‘‘আর মারামারির যে ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে, সেটা দুজন কর্মীর পুরোনো ব্যক্তিগত লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব  নিয়ে। দলীয় কোনও কারণে নয়’’, বলেন তিনি।