জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নিরপেক্ষ জায়গা থেকে লেখালেখি, গবেষণা ও বিশ্লেষণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) এনসিপির যাত্রা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত দেড় বছরের অভিজ্ঞতাই ঠিক করে দিয়েছে আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে এবং রাজনৈতিক লড়াই কীভাবে এগোবে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আরও বেশি বই লেখা উচিত। গান, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মধ্যেও এই অভ্যুত্থানের ইতিহাস স্থান পাবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ আরও পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবে এই অভ্যুত্থান কীভাবে সংঘটিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত এক দশকে সারা দেশ থেকে যেসব নেতৃত্ব সংগঠিত হয়েছিল তাদের নিয়েই গঠিত হয়েছিল জাতীয় নাগরিক কমিটি। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ছিল মাঠের ছাত্রদের নেতৃত্বে। এই দুই ধারার সম্মিলনেই গঠিত হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, গণঅভ্যুত্থান থেকে অনেক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে, তাদের সবাইকে স্বাগত জানানো হয়। তবে গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক দল হিসেবে দাঁড়িয়েছে এনসিপি। কারণ অভ্যুত্থানের মূল নেতৃত্বের বড় একটি অংশ এই দলে যুক্ত হয়েছে এবং তারা সংস্কার ও বিচারের রাজনীতিকে সামনে নিয়ে এসেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এনসিপিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কূটনীতিক মহলে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়। বিভিন্ন নেতার বক্তব্যের আড়ালে এনসিপির প্রকৃত অবস্থান অনেক সময় গোপন করা হয়। দলটির বিভিন্ন ইস্যুতে অবস্থান এই বইতে তুলে ধরা হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, বৈষম্য দূরীকরণ এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও নেপাল-এর মতো আন্দোলন ও রাজনৈতিক ঘটনা ঘটতে পারে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, বইটির লেখক ও এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মো. মাহাবুব আলম, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আদর্শের স্বত্বাধিকারী মাহবুব রহমান, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন এবং এনসিপি ডায়াস্পোরা এলায়েন্সের আহ্বায়ক সাইফ ইবনে সারওয়ারসহ দলের নেতাকর্মীরা।
শু/সবা
সবুজ বাংলা অনলাইন 






















