১২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্রীজ নির্মাণ না করায় চরম ভোগান্তি

যুগের পর যুগ বাজেট বৈষম্যের শিকার ও স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্রীজ ভেঙে যাওয়ার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মেলেনি সুরাহা। দুর্ঘটনা এড়াতে ক্ষোভ আর আক্ষেপ নিয়ে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাঠ দিয়ে মেরামত করে ভেঙে যাওয়া ব্রীজটি। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের শেখপাড়ার ওই ব্রীজ ভেঙে যাওয়ায় কাঠের তৈরি পাটাতনে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে হাজারো মানুষ। গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড শেখপাড়া ব্রীজটি গত বছরের বন্যায় তিস্তার পানি বেড়ে খরস্রোতে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। বন্যার এক বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রীজটি নির্মাণ করা করা হয়নি। যাতায়াতের ভোগান্তি দূর করতে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় বাঁশ, কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয় পাটাতন ব্রীজটি। প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাসরত একমাত্র চলাচলের ভরসা ওই ব্রীজটি। ব্রীজটির দক্ষিণ পার্শ্বের কোণ ভেঙে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে। আবারও স্থানীয়রা চাঁদা সংগ্রহ করে ব্রীজের কোণাটি বাঁশ, কাঠ দিয়ে মেরামত করে চলাচল করছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। এলাকাবাসীর দাবি করে বলেন, গঙ্গাচড়ার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮০ভাগ মানুষ হতদরিদ্র। এলাকায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ওয়ার্ড প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও ব্রীজটি নির্মাণের কোন বরাদ্দ মেলেনি। জরাজীর্ণ ব্রীজটি ভেঙে নতুন ব্রীজ তৈরি করে ভোগান্তি নিরসনের জোরালো দাবি তাদের। ক্ষোভ প্রকাশ করে মীর কাশেম মিঠু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পাটাতনের ওপর নির্ভর করে চলছে যাতায়াত ব্যবস্থা। আমাদের দুঃখ কারও চোখে পড়ে না। শেখপাড়া হতদরিদ্র ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। প্রায়ই ১০ হাজার লোক ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দাবি জানাচ্ছি দ্রুত বাজেট প্রণয়ন করে ব্রীজটি নির্মাণ করার। গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মৃধা বলেন, এলাকাবাসীর ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত ব্রীজ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

এসএস/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্রীজ নির্মাণ না করায় চরম ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

যুগের পর যুগ বাজেট বৈষম্যের শিকার ও স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্রীজ ভেঙে যাওয়ার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মেলেনি সুরাহা। দুর্ঘটনা এড়াতে ক্ষোভ আর আক্ষেপ নিয়ে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাঠ দিয়ে মেরামত করে ভেঙে যাওয়া ব্রীজটি। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের শেখপাড়ার ওই ব্রীজ ভেঙে যাওয়ায় কাঠের তৈরি পাটাতনে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে হাজারো মানুষ। গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড শেখপাড়া ব্রীজটি গত বছরের বন্যায় তিস্তার পানি বেড়ে খরস্রোতে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। বন্যার এক বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রীজটি নির্মাণ করা করা হয়নি। যাতায়াতের ভোগান্তি দূর করতে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় বাঁশ, কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয় পাটাতন ব্রীজটি। প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাসরত একমাত্র চলাচলের ভরসা ওই ব্রীজটি। ব্রীজটির দক্ষিণ পার্শ্বের কোণ ভেঙে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে। আবারও স্থানীয়রা চাঁদা সংগ্রহ করে ব্রীজের কোণাটি বাঁশ, কাঠ দিয়ে মেরামত করে চলাচল করছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। এলাকাবাসীর দাবি করে বলেন, গঙ্গাচড়ার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮০ভাগ মানুষ হতদরিদ্র। এলাকায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ওয়ার্ড প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও ব্রীজটি নির্মাণের কোন বরাদ্দ মেলেনি। জরাজীর্ণ ব্রীজটি ভেঙে নতুন ব্রীজ তৈরি করে ভোগান্তি নিরসনের জোরালো দাবি তাদের। ক্ষোভ প্রকাশ করে মীর কাশেম মিঠু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পাটাতনের ওপর নির্ভর করে চলছে যাতায়াত ব্যবস্থা। আমাদের দুঃখ কারও চোখে পড়ে না। শেখপাড়া হতদরিদ্র ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। প্রায়ই ১০ হাজার লোক ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দাবি জানাচ্ছি দ্রুত বাজেট প্রণয়ন করে ব্রীজটি নির্মাণ করার। গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মৃধা বলেন, এলাকাবাসীর ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত ব্রীজ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

এসএস/সবা