খাগড়াছড়ির গুইমারা তবলাপাড়া মারমা গ্রামবাসী ওপর লাঠিচাজ ও ৬ জন বাঙালী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কর্তৃক সাধারণ পাহাড়ি হয়রানি শিকারের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১১ টায় খাগড়াছড়ি জেলা প্রেসক্লাকের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে সম্মিলিত ছাত্র সমাজ। উক্যনু মারমা সঞ্চালনায় এ প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মংরি মারমা।
সমাবেশে মানচ চাকমা অভিযোগ করে বলেন, গতকাল সন্ত্রাসী একদল তবলাপাড়া মারমা গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালায়। এ ঘটনা নতুন নয়, এর আগেও ঠিক একইভাবে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উপর সেটেলার বাঙালিরা হামলা চালিয়েছিল। সে সময়ও বহু মানুষ আহত হয়, প্রাণহানি ঘটে, কিন্তু বিচার হয়নি। তাঁর দাবি, বারবার একই কায়দায় হামলার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে আর প্রশাসন নীরব থেকেছে।
কৃপায়ন ত্রিপুরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রতিটি ঘটনাই বিচারহীনতার মধ্যে থেকে যাচ্ছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে জানান, মাত্র গত জুলাই মাসে ভাইবোনছড়ায় এক পাহাড়ি কিশোরীকে ছয়জন বাঙালি মিলে ধর্ষণ করলেও বিচার হয়নি। এখন আবার রবিবার তবলাপাড়া মারমা গ্রামে ছয়জন অস্ত্রধারী বাঙালি হামলা চালায়। গ্রামবাসীরা হামলাকারীদের আটক করলে উল্টো গ্রামবাসীদের উপর নতুন করে আক্রমণ হয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই ছয়জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর পরিচয় আইএসপিআর প্রকাশ না করে, তবে খাগড়াছড়ি জেলায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি শুরু করা হবে।
প্রতবিাদ সমাবেশটি খাগড়াছড়ি সরকারী কলেজ থেকে বের হয়ে জেলা প্রেসক্লাবে শেষ হয়।
এমআর/সবা





















