০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তবলাপাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, গ্রেফতারের দাবি; না হলে সড়ক অবরোধ

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি ও গুইমারা উপজেলার সীমান্তবর্তী তবলা পাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগে ৬ ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও নারী আত্মরক্ষা কমিটি, মানিকছড়ি উপজেলা শাখা। অন্যথায় আগামী বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি-ঢাকা, খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে তারা জানিয়েছে।

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মানিকছড়ি উপজেলা সভাপতি আনু মারমা ও নারী আত্মরক্ষা কমিটির সদস্য সচিব পাইনু মারমা এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে সেনা সমর্থিত ৬জন সশস্ত্র ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী তবলা পাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে গেলে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে। পরে সেনাবাহিনী জনতার কাছ থেকে তাদের ছিনিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়। কালাপানি এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদে সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ ও গুলি চালায়।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরও বলেন, উক্ত সন্ত্রাসী গ্রেফতার, কালাপানিতে হামলায় জড়িত সেনা সদস্যদের শাস্তি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ও ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাস বন্ধ করার দাবিতে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তবলাপাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, গ্রেফতারের দাবি; না হলে সড়ক অবরোধ

আপডেট সময় : ০৮:৫১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি ও গুইমারা উপজেলার সীমান্তবর্তী তবলা পাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগে ৬ ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও নারী আত্মরক্ষা কমিটি, মানিকছড়ি উপজেলা শাখা। অন্যথায় আগামী বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি-ঢাকা, খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে তারা জানিয়েছে।

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মানিকছড়ি উপজেলা সভাপতি আনু মারমা ও নারী আত্মরক্ষা কমিটির সদস্য সচিব পাইনু মারমা এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে সেনা সমর্থিত ৬জন সশস্ত্র ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী তবলা পাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে গেলে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে। পরে সেনাবাহিনী জনতার কাছ থেকে তাদের ছিনিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়। কালাপানি এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদে সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ ও গুলি চালায়।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরও বলেন, উক্ত সন্ত্রাসী গ্রেফতার, কালাপানিতে হামলায় জড়িত সেনা সদস্যদের শাস্তি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ও ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাস বন্ধ করার দাবিতে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।