১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে নিজ বাড়ী থেকে সাংবাদিক ওসমান হারুনীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

জামালপুরের ইসলামপুরে ওসমান হারুনী (৪২) নামে এক সাংবাদিকের ঝুলন্ত মরদেহ তার নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পলাবান্দা ভাটিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওসমান হারুনী মোহনা টেলিভিশনের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি এবং আমার দেশ পত্রিকার ইসলামপুর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুপুরে তিনি মূল ঘর থেকে পাশের একটি টিনসেট কক্ষে যান, যেটি তিনি অফিস হিসেবে ব্যবহার করতেন। কিছুক্ষণ পর তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ঘরে গিয়ে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে নিচে নামিয়ে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তার স্ত্রী খাদিজা বেগম জানান, গত দুই মাস ধরে ওসমান হারুনী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। পারিবারিক কলহ, আর্থিক সংকট এবং শারীরিক অসুস্থতা তাকে বিষণ্ন করে তুলেছিল। বাড়ি নির্মাণ করতে গিয়ে ঋণের বোঝা এবং চিকিৎসার খরচ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। সম্মানী না পাওয়ায় টেলিভিশনের কাজ থেকেও আর্থিক সাপোর্ট পাননি।

নিহত ওসমান হারুনীর দুই ছেলে রয়েছে—একজন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী, অন্যজন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পড়ছে।

ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আতিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে নিজ বাড়ী থেকে সাংবাদিক ওসমান হারুনীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১২:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জামালপুরের ইসলামপুরে ওসমান হারুনী (৪২) নামে এক সাংবাদিকের ঝুলন্ত মরদেহ তার নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পলাবান্দা ভাটিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওসমান হারুনী মোহনা টেলিভিশনের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি এবং আমার দেশ পত্রিকার ইসলামপুর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুপুরে তিনি মূল ঘর থেকে পাশের একটি টিনসেট কক্ষে যান, যেটি তিনি অফিস হিসেবে ব্যবহার করতেন। কিছুক্ষণ পর তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ঘরে গিয়ে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে নিচে নামিয়ে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তার স্ত্রী খাদিজা বেগম জানান, গত দুই মাস ধরে ওসমান হারুনী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। পারিবারিক কলহ, আর্থিক সংকট এবং শারীরিক অসুস্থতা তাকে বিষণ্ন করে তুলেছিল। বাড়ি নির্মাণ করতে গিয়ে ঋণের বোঝা এবং চিকিৎসার খরচ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। সম্মানী না পাওয়ায় টেলিভিশনের কাজ থেকেও আর্থিক সাপোর্ট পাননি।

নিহত ওসমান হারুনীর দুই ছেলে রয়েছে—একজন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী, অন্যজন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পড়ছে।

ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আতিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

এমআর/সবা