দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে ৬০৬ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ এবং ৫৫ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আর্লি শিম চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়ার অনুকূলে ফলন ইতিমধ্যেই ভালো হয়েছে।
বিরল উপজেলার ভাড়াডাঙ্গী গ্রামের কৃষক মো. সোহরাব আলী জানান, শিম চাষ তুলনামূলক কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষকরা শিম চাষে আগ্রহী। চলতি মৌসুমে বাঁশের মাচা ব্যবহার করে শিম চাষ শুরু হয়েছে, এবং ইতিমধ্যেই দেশি জাতের শিমের ফলন শুরু হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে শিমের দাম কেজি প্রতি ১৯০ টাকা ছিল, বর্তমানে পাইকারদের কাছে বিক্রি হচ্ছে ১৪০–১৬০ টাকায়। উৎপাদিত শিম দেশের বিভিন্ন জেলা, বিশেষ করে ঢাকাসহ বড় শহরের বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।
দিনাজপুর কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, আগাম সবজি ও শিম চাষের ফলে কৃষকদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার হয়েছে। সবজি চাষের পাশাপাশি শিম একটি উল্লেখযোগ্য উৎপাদনশীল ফসল হিসেবে জেলার কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে। নিয়মিত তদারকির ফলে দিনাজপুরে সবজি চাষসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদনও ভালো হয়েছে।
প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং শিমের সাদা ও বেগুনি ফুল মাঠে মনোরম দৃশ্য সৃষ্টি করেছে, যা গ্রামের কৃষি চাষের দৃশ্যকে আরও আকর্ষণীয় করেছে।
এমআর/সবা




















