‘সব বাঁধার প্রাচীর ভেঙে ফেল, তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ ডিসেম্বরেই উদ্বোধন কর’—এই স্লোগানে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক গণবিক্ষোভ। শনিবার (৮ নভেম্বর ২০২৫) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কালিরহাট এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করে তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ, রাজারহাট উপজেলা শাখা।
বিক্ষোভে বক্তারা বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত তিস্তা অববাহিকার মানুষ নদীভাঙন, বন্যা ও খরার কারণে চরম দুর্ভোগে রয়েছে। দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু না হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি মহল পরিকল্পনাটির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে—তারা বলছে, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হবে। কিন্তু এসব বক্তব্য ভিত্তিহীন এবং তিস্তা অববাহিকার মানুষের উন্নয়ন ব্যাহত করার অপচেষ্টা ছাড়া কিছু নয়।
তারা দাবি জানান, ডিসেম্বরের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে এবং নদী পুনর্খনন, দুই পাড়ে আধুনিক বাঁধ ও কার্যকর সেচব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
মুকুল হোসেনের সভাপতিত্বে ও মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় বিক্ষোভে প্রধান অতিথি ছিলেন তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্রীণ ভিলেজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম. রশিদ আলী, এবং সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য বখতিয়ার হোসেন শিশির ও হাফেজ মাওলানা জাহেরুল ইসলাম।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন সংগঠনের গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখার উমর ফারুক, নাজিমখান ইউনিয়নের একরামুল হক, এরশাদুল হক, বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শিমুল রানা, স্থানীয় বাসিন্দা গোলজার হোসেন, সোলজার হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী।
তীব্র রোদ উপেক্ষা করে স্থানীয় মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।
এমআর/সবা

























