সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন অনন্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি আজীবন আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও নিপীড়নের মধ্যেও কখনো তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়া হয়নি—যা তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় ত্যাগ ও অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সম্পাদক ময়েন মো. আরফি, সভাপতিত্বে ছিলেন ক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম। এর আগে সকালে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলি পিপলস ভয়েস সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সিনিয়র সদস্য মনজু্দ্দিন কাদরী শওকত, ক্লাবের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শামসুল হক হায়দরী, ড্যাবের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ডা. সারোয়ার আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সহ-সভাপতি ডেইজি মঈদুদ, কার্যকরী সদস্য ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, সিনিয়র সদস্য ডা. আব্দুল ওয়াজেদ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবলে খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সলেমি, সাইফুল ইসলাম শল্পী, আরচি আহমদ শাহ, সমাজসভা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, সদস্য মুহাম্মদ আজাদ প্রমুখ।
প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ১৯৯৫ সালে বেগম খালেদা জিয়া চরম দুঃসময়ে ক্লাবকে ১৫ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করেছিলেন। যদিও তখন ক্লাব কর্তৃপক্ষ ওই অবদান স্বীকার করেননি, বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি তা যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রেখেছে।
এছাড়া, বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর কল্পলোক আবাসিক এলাকায় সাংবাদিকদের জন্য বিশেষভাবে আবাসনের জন্য প্লট বরাদ্দের ব্যবস্থা করেন। এর আগেও ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের আবাসন সংকট দূর করতে বায়জেদি এলাকায় নামমাত্র মূল্যে ১৬ একর জায়গা বরাদ্দ করেছিলেন।
শু/সবা























