০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংকট মেটাতে বাকিতে এলপি গ্যাস আমদানির সুযোগ

দেশের বাজারে চলমান তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির তীব্র সংকট কাটিয়ে উঠতে আমদানিতে বড় ধরনের নীতিগত ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যবসায়ীরা বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ পাবেন। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে দেশীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ‘বায়ার্স’ বা ‘সাপ্লায়ার্স’ ক্রেডিটের মাধ্যমে এলপিজি আমদানি করা যাবে। আমদানিকৃত এই এলপিজিকে ‘শিল্পের কাঁচামাল’ হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা বাকিতে আমদানির পর মূল্য পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ ২৭০ দিন বা ৯ মাস পর্যন্ত সময় (ইউজান্স পিরিয়ড) পাবেন।

গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট চলছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে গ্যাস বিক্রি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আকারভেদে সিলিন্ডার প্রতি দাম ৩৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষ ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস তুলছে। মূলত সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং আমদানিকারকদের আর্থিক চাপ কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এলপিজি বাল্ক আকারে আমদানির পর তা সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করতে বেশ সময় লাগে। আগে পেমেন্ট নিয়ে আমদানিকারকদের যে জটিলতা ছিল, ২৭০ দিনের এই ক্রেডিট সুবিধা তা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দ্রুতই এলপিজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিবি পরিচালক পদত্যাগ না করলে ক্রিকেট বর্জনের আলটিমেটাম

সংকট মেটাতে বাকিতে এলপি গ্যাস আমদানির সুযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের বাজারে চলমান তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির তীব্র সংকট কাটিয়ে উঠতে আমদানিতে বড় ধরনের নীতিগত ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যবসায়ীরা বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ পাবেন। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে দেশীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ‘বায়ার্স’ বা ‘সাপ্লায়ার্স’ ক্রেডিটের মাধ্যমে এলপিজি আমদানি করা যাবে। আমদানিকৃত এই এলপিজিকে ‘শিল্পের কাঁচামাল’ হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা বাকিতে আমদানির পর মূল্য পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ ২৭০ দিন বা ৯ মাস পর্যন্ত সময় (ইউজান্স পিরিয়ড) পাবেন।

গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট চলছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে গ্যাস বিক্রি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আকারভেদে সিলিন্ডার প্রতি দাম ৩৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষ ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস তুলছে। মূলত সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং আমদানিকারকদের আর্থিক চাপ কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এলপিজি বাল্ক আকারে আমদানির পর তা সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করতে বেশ সময় লাগে। আগে পেমেন্ট নিয়ে আমদানিকারকদের যে জটিলতা ছিল, ২৭০ দিনের এই ক্রেডিট সুবিধা তা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দ্রুতই এলপিজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি।

এমআর/সবা