০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লাকসামে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ, গ্রেপ্তারের দাবি

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ২ নম্বর মুদাফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এটিএম আলমগীর (৩১)–কে ঘিরে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্থানীয় ছাত্রজনতা ও সচেতন নাগরিকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এটিএম আলমগীর পতিত স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার ঘনিষ্ঠ দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। তারা দাবি করেন, লাকসাম–মনোহরগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের নির্দেশনায় অতীতে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি, জামায়াত ও সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে এটিএম আলমগীর পলাতক রয়েছেন। তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য না পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে মুদাফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ছাত্রজনতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছে।

প্রতিবাদকারীরা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

এ বিষয়ে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহলের মতে, সামাজিক অস্থিরতা এড়াতে অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এলাকাবাসী আশা করছেন, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করবে এবং এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভয়ভীতি ও অনিয়মের সংস্কৃতির অবসান ঘটাবে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

লাকসামে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ, গ্রেপ্তারের দাবি

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ২ নম্বর মুদাফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এটিএম আলমগীর (৩১)–কে ঘিরে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্থানীয় ছাত্রজনতা ও সচেতন নাগরিকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এটিএম আলমগীর পতিত স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার ঘনিষ্ঠ দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। তারা দাবি করেন, লাকসাম–মনোহরগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের নির্দেশনায় অতীতে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি, জামায়াত ও সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে এটিএম আলমগীর পলাতক রয়েছেন। তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য না পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে মুদাফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ছাত্রজনতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছে।

প্রতিবাদকারীরা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

এ বিষয়ে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহলের মতে, সামাজিক অস্থিরতা এড়াতে অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এলাকাবাসী আশা করছেন, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করবে এবং এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভয়ভীতি ও অনিয়মের সংস্কৃতির অবসান ঘটাবে।

শু/সবা