নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার হাট বাজার গুলোতে আলু বিক্রি করতে গিয়ে কৃষকরা পাচ্ছেনা আলুর নায্য মূল্য বলে কৃষকদের ভাষ্যে জানা গেছে। ফলে কৃষকরা ধার দেনা পরিশোধ করতে না পারার পাশাপাশি আমন ধান চাষাবাদ করতেও অর্থ কষ্টে পড়েছে। বদলগাছী উপজেলা দির্ঘ দিন ধরেই সবজি উৎপাদনে পরিচিত। বিস্তীর্ন মাঠ জুরে এখন আলু তোলার ব্যস্ততা।
শ্রমিকদের কাঁধে বস্তা আর মাঠে মাঠে সারি সারি সাদা লাল আলুর স্তুপ । এমন অবস্থা হাট বাজার গুলোতেও। চড়া দামে সার ক্রটনাষক কিনে ও শ্রমিকদের পারিশ্রমিক দিয়ে কৃষকরা আলু উৎপাদন করে তারা ভেবেছিল আলু নায্য মুল্যে বিক্রি করে ধার দেনা পরিশোধ করবে এবং আমন ধান উৎপাদনে উৎপাদন ব্যয় মিটাবে ও সংসার চালাবে সাচ্ছন্দে। কিন্তু আলুর নায্য মূল্য না পেয়ে তাদের সেই আশা অজ হলো বুমেরাং। কে দিবে তাদেক আশা আর ভরশা । সরকার যায় সরকার আসে, সবাই তো কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের কথা বললেও কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন হয় না।
সার ক্রীটনাষক এর দাম কমিয়ে এবং প্রতিটি উপজেলায় হিমাগার তৈরী করে কৃষকদের সবজিসহ বিভিন্ন কৃষি পন্য সংরক্ষণ করা সহ আলু সহ বিভিন্ন সবজি বিক্রির আন্তর্জাতির বাজার সৃষ্টি করতে হবে কৃষকদের স্বার্থে সরকারকেই। উপজেলার ভান্ডারপুর হাট সহ বিভিন্ন হাট বাজারে গিয়ে দেখা যায় সাদা পাটনায় আলু ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, ফাটা পাপড়ী (লাল সাদা) ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা ও কার্ডিনাল আলু ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বেচা কেনা হচ্ছে। এর উপর ক্রেতারা ৪২ কেজিতে মন হিসাবে ওজন নিচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায় এবছর আলু চাষাবাদের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ২ হাজার ৪শ ৭০ হেক্টর জমি। আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৯ শত ৪০ হেক্টর জমিতে।
ঝাড়ঘরিয়া গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমান, শ্রী অনিল চন্দ্র সহ আন্যান্য কৃষকরা জানান আলু চাষা বাদ করে উৎপাদন করে উৎপাদন খরচই তোলা পারছেন না তারা। উপজেলা কৃষি অফিসার সাবাব ফারহান বলেন এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় প্রতি বিঘা জমিতে ৫০ থেকে ৬০ মন হারে আলূু উৎপাদন হয়েছে । হাট বাজারে সরবরাহ বেশী হওয়ায় আলু কম দামে বেচা কেনা হচ্ছে।
শু/সবা


























