সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংবিধান সংস্কারের জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করা ছাড়া তাদের আর কোনো পথ নেই।
বুধবার সন্ধ্যায় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করা হয়েছে, তবে সংসদ ত্যাগ করা হয়নি। “আমরা সংসদেরই অংশ। কিন্তু আন্দোলন ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ নেই,” বলেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে। তবে বিরোধী দল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, গণভোটে জনগণের কাছে সংবিধান সংশোধনের নয়, বরং সংবিধান সংস্কারের জন্য রায় চাওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে শর্ত দেওয়া হয়েছিল—কমিটিতে সরকার ও বিরোধী দল থেকে সমানসংখ্যক সদস্য থাকতে হবে। কিন্তু প্রস্তাবে আপত্তি জানালে আলোচনা শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীতে আইনমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে আংশিক রাজি হয়েছেন বলে জানান, কিন্তু শফিকুর রহমানের বক্তব্য ছিল, “এটি হতে হবে সংবিধান সংস্কার।”
বিরোধী দলীয় নেতা অভিযোগ করেন, জনগণের অভিপ্রায়কে চাপা দিতে পরিকল্পিতভাবে একটি নোটিশ আনা হয়েছে, যার প্রতিবাদে ওয়াকআউট করা হয়েছে। তিনি বলেন, “সংসদের ভেতরেই সমাধান হলে জনগণ আনন্দিত হতো। কিন্তু তা না হওয়ায় আমাদের একমাত্র পথ—জনগণের কাছে ফিরে যাওয়া।”
শফিকুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অতীতের মতো এবারও জনগণ তাদের পাশে থাকবে এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে সবাই ঐক্যবদ্ধ হবে। তিনি আরও জানান, ১১ দল দ্রুত একত্রে বসে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করবে।
শু/সবা
সবুজ বাংলা ডিজিটাল রিপোর্ট 




















