১০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে রসুন আমদানি বেড়েছে

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে রসুন আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসের (জুলাই-অক্টোবর) তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে মসলা পণ্যটির আমদানি বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি।

ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক বলছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় পণ্যটির আমদানি বেড়েছে।

জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বন্দরটি দিয়ে রসুন আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ৭৭৩ টন, যার আমদানি মূল্য ২০১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে রসুন আমদানি হয়েছিল ৫ হাজার ৮৫০ টন, যার আমদানি মূল্য ছিল ৮০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এ হিসেবে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে পণ্যটির আমদানি বেড়েছে ৬ হাজার ৯২৩ টন।

ভোমরা স্থলবন্দরের অন্যতম মসলা পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, দেশীয় বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় রসুন আমদানি বাড়িয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে আমরা অন্তত ৫০-৫৫ শতাংশ বেশি রসুন আমদানি করেছি।

সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজারের মসলা আড়ৎ মেসার্স আবির ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল আজিজ জানান, গতকাল তার আড়তে আমদানীকৃত রসুন পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৯০-২০০ টাকা কেজি দরে, এক মাস আগেও যা ১৫০-১৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। একই বাজারে খুচরা পর্যায়ে গতকাল প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয়েছে ২১০-২২০ টাকা দরে।

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে রসুন আমদানি বেড়েছে

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে রসুন আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসের (জুলাই-অক্টোবর) তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে মসলা পণ্যটির আমদানি বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি।

ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক বলছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় পণ্যটির আমদানি বেড়েছে।

জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বন্দরটি দিয়ে রসুন আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ৭৭৩ টন, যার আমদানি মূল্য ২০১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে রসুন আমদানি হয়েছিল ৫ হাজার ৮৫০ টন, যার আমদানি মূল্য ছিল ৮০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এ হিসেবে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে পণ্যটির আমদানি বেড়েছে ৬ হাজার ৯২৩ টন।

ভোমরা স্থলবন্দরের অন্যতম মসলা পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, দেশীয় বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় রসুন আমদানি বাড়িয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে আমরা অন্তত ৫০-৫৫ শতাংশ বেশি রসুন আমদানি করেছি।

সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজারের মসলা আড়ৎ মেসার্স আবির ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল আজিজ জানান, গতকাল তার আড়তে আমদানীকৃত রসুন পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৯০-২০০ টাকা কেজি দরে, এক মাস আগেও যা ১৫০-১৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। একই বাজারে খুচরা পর্যায়ে গতকাল প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয়েছে ২১০-২২০ টাকা দরে।