০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজনদের মারপিট

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩
  • 124

টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডাক্তার এবং ডাক্তার এর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। ৩০ নভেম্বর বুধবার এ ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা গ্রামের মৃত আবু তাহের মিয়ার স্ত্রী কে সদর হাসপাতালে ডাক্তার খন্দকার হারুন অর রশিদকে দেখাতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। সকালে চেম্বারে ডাক্তার না থাকায়, কখন আসবেন জানার জন্য ডাক্তারকে ফোন দেন ওই রোগীর স্বজনরা।
পরে ডা: খন্দকার হারুন অর রশিদ চেম্বারে ডুকে ওই রোগী ও স্বজনদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। এ সময় রোগীর স্বজন জাহাঙ্গীর প্রতিবাদ জানালে ডাক্তারের সহকারীসহ ১০-১২ জন মিলে তাদেরকে এলোপাথারী পারপিট করে রক্তাক্ত করে। এতে জাহাঙ্গীর এর স্ত্রী এবং বোন এগিয়ে আসলে তাদের কে মারপিট করা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, ব্যাগে থাকা ৩০ হাজার টাকা এবং গলায় থাকা এক ভরী স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
এ বিয়ষে ডা: খন্দকার হারুন অর রশিদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রোগীর স্বজনরা নিজেরাই মারপিট করেছে বলে শুনেছি। এবিষয়ে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ও সহকারী পরিচালক ডা: খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন, এঘটনার অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিবিতে শুরু হলো প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতের প্রদর্শনী

টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজনদের মারপিট

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩

টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডাক্তার এবং ডাক্তার এর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। ৩০ নভেম্বর বুধবার এ ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা গ্রামের মৃত আবু তাহের মিয়ার স্ত্রী কে সদর হাসপাতালে ডাক্তার খন্দকার হারুন অর রশিদকে দেখাতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। সকালে চেম্বারে ডাক্তার না থাকায়, কখন আসবেন জানার জন্য ডাক্তারকে ফোন দেন ওই রোগীর স্বজনরা।
পরে ডা: খন্দকার হারুন অর রশিদ চেম্বারে ডুকে ওই রোগী ও স্বজনদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। এ সময় রোগীর স্বজন জাহাঙ্গীর প্রতিবাদ জানালে ডাক্তারের সহকারীসহ ১০-১২ জন মিলে তাদেরকে এলোপাথারী পারপিট করে রক্তাক্ত করে। এতে জাহাঙ্গীর এর স্ত্রী এবং বোন এগিয়ে আসলে তাদের কে মারপিট করা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, ব্যাগে থাকা ৩০ হাজার টাকা এবং গলায় থাকা এক ভরী স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
এ বিয়ষে ডা: খন্দকার হারুন অর রশিদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রোগীর স্বজনরা নিজেরাই মারপিট করেছে বলে শুনেছি। এবিষয়ে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ও সহকারী পরিচালক ডা: খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন, এঘটনার অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।