রংপুর অঞ্চলে শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুনের উষ্ণ নেয়ার সময়
অগ্নিদগ্ধ হয়ে গত ১১ দিনে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) ৪২ জন রোগি ভর্তি
হয়েছে। এছাড়াও সুন্দরগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ জবা রানী (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ
রোগিদের মধ্যে বেশির ভাগ রয়েছে নারী ও শিশু। তাদের মধ্যে বার্ন ইউনিটে ১১ জন এবং
সার্জারি, শিশু ও মহিলা ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ৩১ জনকে। হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক
সার্জারি ইউনিট সূত্র জানা যায়, অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের
কারো শরীরে ১০-৪০ শতাংশ আবার কারো ৪০-৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তবে বেশির ভাগ দগ্ধ রোগি
নিজেদের অসাবধানতাবশত দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সাজু মিয়ার স্ত্রী ববিতা বেগম (৩৫), কুড়িগ্রামের
ফুলবাড়ী উপজেলার আশরাফুল আলমের মেয়ে আয়শা সিদ্দিকা (৬), রংপুর মহানগরীর মুন্সিপাড়ার
আলেয়া বেগম (৬৫), লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সবুজ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী পলি রানী (৩০) ও
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মমিনুর ইসলামের স্ত্রী খাদিজা বেগম (৪০) এর স্বজনদের সাথে কথা
বলে জানা যায়, খড়কুটো জ্বালিয়ে ও চুলার আগুনে শীত নিবারণ করার সময় তারা অগ্নিদগ্ধ হয়েছে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. শাহ মো.
আল মুকিত বলেন, চিকিৎসাধীন রোগিরা শীতের তীব্রতা থেকে উষ্ণতা পেতে আগুন পোহাতে
গিয়ে দগ্ধ হয়েছে। প্রতি শীত মৌসুমে রংপুর অঞ্চলে অগ্নিদগ্ধের এমন ঘটনা ঘটে। অপর দিকে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ জবা রানী নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু
হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার কর্ণিপাড়ায় গত বৃহ¯পতিবার দুপুরে বাড়ির আঙিনায় খড়ের আগুনের
তাপ নিচ্ছিলেন বৃদ্ধা জবা রানী। এসময় অসাবধানতাবশত খড়ের আগুন কাপড়ে লেগে দগ্ধ হন তিনি।
তাকে উদ্ধার করে তাকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক
চিকিৎসা শেষে ওই বৃদ্ধাকে বাড়িে নেওয়া হয়। পরে শুক্রবার রাতে ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।
শিরোনাম
রংপুরে আগুন পোহাতে অগ্নিদগ্ধ ৪৩
-
রংপুর ব্যুরো - আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪
- ।
- 77
জনপ্রিয় সংবাদ



















