ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে এবং বাকি তিন প্রার্থীকে কাগজপত্রের ঘাটতি পূরণের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ আসনে মোট নয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
যাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন— বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন এবং জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী।
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার, স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুবের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতারের ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকায় গুরুতর অনিয়ম পাওয়া গেছে। দ্বৈবচয়ন পদ্ধতিতে যাচাই করা ১০ জন ভোটারের মধ্যে ৮ জনের তথ্য অসত্য পাওয়া যায়। এমনকি সমর্থন তালিকায় থাকা একজন ভোটার ২০২৪ সালেই মৃত্যুবরণ করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাযথভাবে জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুবের মনোনয়নপত্র অসম্পূর্ণ এবং দলীয় প্রত্যয়নসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিক না থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া কাগজপত্রে কিছু ঘাটতি থাকায় তিনজন প্রার্থীকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভাণ্ডারী, বিএসপির মো. ওসমান আলী এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসান। রবিউল হাসানের মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারীর স্বাক্ষর না থাকায় তাকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আইন অনুযায়ী ৫ থেকে ১১ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। এ আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।
শু/সবা






















