০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে মেলার আয়োজন: ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে হযরত দেওয়ানশাহ মেলার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে।
মেলাকে ঘিরে প্রতিবারের মতো এবারো জুয়ার আসর, অসামাজিক কার্যকলাপ
সহনানা রকম অনৈতিক কাজের পরিকল্পনার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া
মেলায় চাঁদাবাজি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারে বিবদমান বিভিন্ন
গ্র“প, উপগ্র“পের দ্বন্দ, রাজনৈতিক দলাদলির আশংকা দেখা দেওয়ায় গ্রামবাসীর
মধ্যে এক ধরনের আতংক দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মেলাকে ঘিরে আগের
মতোই আবারো চুরি, ডাকাতি, খুন খারাবি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনার
আশংকা থাকায় আইন শৃংখলা চরম অবনতির কথা জানিয়েছেন অনেকেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পূর্বরাজাপুর গ্রামে
হযরত দেওয়ান শাহ মাজারের দিঘীর পাড়ে প্রতি বছরের ন্যায় কাল ১৫ জানুয়ারী ২৪
থেকে মেলা আয়োজনের নানা প্রস্তুতি দৃশ্যমান রয়েছে। এই মেলাকে কেন্দ্র
করে এক শ্রেনীর চাঁদাবাজরা স্টাইল পরিবর্তন করে মেলার স্টল বরাদ্ধের নামে
ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের এবং অতিরিক্ত হারে ভাড়া আদায়,
জেনারেটরের বিল, আয়োজক কমিটি, নাইট গার্ড ও দারোয়ানের বিল, প্রভাবশালী
রাজনৈতিক ব্যাক্তি, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, পুলিশ ও প্রশাসনের
কত্যাব্যাক্তিদের ম্যানেজ, ভুমি মালিকদের ভাড়া সহবিভিন্ন অজুহাতে (চাঁদা)
টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মেলা আয়োজক কমিটি
এসব টাকা সংকুলানের জন্য ব্যাবসায়ীদের উপর এক ধরনের জুলুম নির্যাতন,
হয়রানি সহ কথিত এই মেলায় কমিটি মেলা শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন বাসাবাড়ি,
শিক্ষা প্রত্ধিসঢ়;ষ্ঠান ও নির্জন এলাকায় অনেকটা প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে রমরমা
জুয়ার আসর, অসামাজিক কার্যকলাপ ও অশ্লিল বিভিন্ন কর্মকান্ডের আয়োজন
করে থাকে। সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মেলার আয়োজকদের একটি পক্ষ
সিন্ডিকেট তৈরী করে মাদক ব্যবসা প্রসার সহ জমজমাট ব্যাবসা করে নেয়।
প্রতি বছর এ রকম নানা আয়োজন ও অনিয়ম আর অপকর্মের কারণে ইতিমেধ্য
অনেকেই বলি হতে হয়েছে। ফলে এ নিয়ে কর্ত্তৃত্ব আধিপত্যের মোকাবেলায়
পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিদের নানা বেগ ও পেতে হয়েছে। কিন্তু মেলা
আয়োজনের নামে অসৎ এ চক্রটির দান্দা ফিকিরতো থেমে থাকেনি, মেলা
আয়োজনের নামে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের একটি চক্র কথিত মেলা কমিটি
করে অনুমতির জন্য পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় দেন দরবার ও
তদবিরের খবর পাওয়া গেছে। যদিও প্রতিবছর মেলাটি আয়োজনের এমন গুরুত্ব বা
জরুরী না থাকলেও এমন সময় চক্রটির দৌড়ঝাপ চোখে পড়ার মতো। এ দিকে মেলার
কারনে স্থানীয় ১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কিন্টার গার্ডেন, ১টি
মাদ্রাসা ও ১টি কমিউনিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বন্ধ থাকে সরকারী কোন নির্দেশনা
ছাড়া। ফলে শিক্ষার্থী ও সেবা প্রত্যাশীরা নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আর

এ নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সঞ্চার ঘটলেও চক্রটির হাতে অনেকেই
জিম্মী থাকায় যেন বিষয়টি দেখার কেউ নেই। স্থানীয়দের অভিমত, ম্যানেজের নামে
উপরের থেকে নিচে সবাই বুক তাই নীরব।
আরো খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই মেলা যদিও হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় মসজিদ
এবং মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য। কিন্তু বর্তমানে এই মেলাকে কেন্দ্র করে কোটি
কোটি টাকার বানিজ্য হচ্ছে। যার ছিটে ফোটা ভাগও পায় না এই দুই প্রতিষ্ঠান
। রাজনৈতিক লোকজন প্রশাসনের কথিত লোকজন ম্যানেজ করে নিজেরাই
ভাগাভাগি করে নেয় সব টাকা। মেলায় আগত ব্যবসায়ীরা নানা রকমভাবে হয়রানীর
স্বীকার হয় মেলা কমিটি এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা। অথচ যার কোন
প্রতিকার দৃশ্যমান নয় এখন পর্যন্ত। অভিযোগ, এই মেলার আধিপত্যকে কেন্দ্র
করে গত চার বছর আগে একই পরিবারের ৬ জনসহ মোট ৭জন নিহতের ঘটনা ঘটে।
২০২২ সালে নানা অনিয়মের কারনে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.
ইমরান হোসেন ২৪ঘন্টার মধ্যে মেলা বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন। একই সময় মেলার
অনিয়মের কারনে সালে স্থানীয় ইউপি সদস্য ওবায়দুল হক হিরনসহ ২জনকে আটক
করে ভ্রাম্যমান আদালত। পরে তাদের মেলা বন্ধের শর্তে মুছরেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া
হয়। এ ছাড়া গত বছর মেলায় বেপরোয়া জুয়ার আসর বসানো হলে চট্টগ্রাম রেঞ্জের
ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন’র নির্দেশে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ মেলার আসর
ভেঙ্গে ও মেলা বন্ধ করে দেয়। এলাকাবাসীরা জানায়, গত কয়েক বছর থেকে মেলাকে
কেন্দ্র করে চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় আদিপত্য বিস্তার, কর্ত্তৃত্বের লড়াইয়ে পাল্টা পাল্টি
মেলা কমিটি, পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এক সপ্তাহের কথা বলা হলেও প্রতিবছর মেলা চলে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে।
এছাড়া মেলায় নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে উঠতি বয়সী কিশোররা। জান
ও মালের নিরাপত্তা হুমকিতে থাকে গ্রামের সাধারন মানুষ।
বিষয়টি নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এমাদাদুল হক জানায়,
অনুমতি ছাড়া কোনো মতেই মেলা নয়। ইতমিধ্যে বসানো দোকান পাঠ উচ্ছেদ
করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে
কঠোর পদক্ষেপের কথা জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় ইবি ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল

লক্ষ্মীপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে মেলার আয়োজন: ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী

আপডেট সময় : ১১:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে হযরত দেওয়ানশাহ মেলার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে।
মেলাকে ঘিরে প্রতিবারের মতো এবারো জুয়ার আসর, অসামাজিক কার্যকলাপ
সহনানা রকম অনৈতিক কাজের পরিকল্পনার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া
মেলায় চাঁদাবাজি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারে বিবদমান বিভিন্ন
গ্র“প, উপগ্র“পের দ্বন্দ, রাজনৈতিক দলাদলির আশংকা দেখা দেওয়ায় গ্রামবাসীর
মধ্যে এক ধরনের আতংক দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মেলাকে ঘিরে আগের
মতোই আবারো চুরি, ডাকাতি, খুন খারাবি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনার
আশংকা থাকায় আইন শৃংখলা চরম অবনতির কথা জানিয়েছেন অনেকেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পূর্বরাজাপুর গ্রামে
হযরত দেওয়ান শাহ মাজারের দিঘীর পাড়ে প্রতি বছরের ন্যায় কাল ১৫ জানুয়ারী ২৪
থেকে মেলা আয়োজনের নানা প্রস্তুতি দৃশ্যমান রয়েছে। এই মেলাকে কেন্দ্র
করে এক শ্রেনীর চাঁদাবাজরা স্টাইল পরিবর্তন করে মেলার স্টল বরাদ্ধের নামে
ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের এবং অতিরিক্ত হারে ভাড়া আদায়,
জেনারেটরের বিল, আয়োজক কমিটি, নাইট গার্ড ও দারোয়ানের বিল, প্রভাবশালী
রাজনৈতিক ব্যাক্তি, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, পুলিশ ও প্রশাসনের
কত্যাব্যাক্তিদের ম্যানেজ, ভুমি মালিকদের ভাড়া সহবিভিন্ন অজুহাতে (চাঁদা)
টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মেলা আয়োজক কমিটি
এসব টাকা সংকুলানের জন্য ব্যাবসায়ীদের উপর এক ধরনের জুলুম নির্যাতন,
হয়রানি সহ কথিত এই মেলায় কমিটি মেলা শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন বাসাবাড়ি,
শিক্ষা প্রত্ধিসঢ়;ষ্ঠান ও নির্জন এলাকায় অনেকটা প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে রমরমা
জুয়ার আসর, অসামাজিক কার্যকলাপ ও অশ্লিল বিভিন্ন কর্মকান্ডের আয়োজন
করে থাকে। সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মেলার আয়োজকদের একটি পক্ষ
সিন্ডিকেট তৈরী করে মাদক ব্যবসা প্রসার সহ জমজমাট ব্যাবসা করে নেয়।
প্রতি বছর এ রকম নানা আয়োজন ও অনিয়ম আর অপকর্মের কারণে ইতিমেধ্য
অনেকেই বলি হতে হয়েছে। ফলে এ নিয়ে কর্ত্তৃত্ব আধিপত্যের মোকাবেলায়
পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিদের নানা বেগ ও পেতে হয়েছে। কিন্তু মেলা
আয়োজনের নামে অসৎ এ চক্রটির দান্দা ফিকিরতো থেমে থাকেনি, মেলা
আয়োজনের নামে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের একটি চক্র কথিত মেলা কমিটি
করে অনুমতির জন্য পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় দেন দরবার ও
তদবিরের খবর পাওয়া গেছে। যদিও প্রতিবছর মেলাটি আয়োজনের এমন গুরুত্ব বা
জরুরী না থাকলেও এমন সময় চক্রটির দৌড়ঝাপ চোখে পড়ার মতো। এ দিকে মেলার
কারনে স্থানীয় ১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কিন্টার গার্ডেন, ১টি
মাদ্রাসা ও ১টি কমিউনিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বন্ধ থাকে সরকারী কোন নির্দেশনা
ছাড়া। ফলে শিক্ষার্থী ও সেবা প্রত্যাশীরা নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আর

এ নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সঞ্চার ঘটলেও চক্রটির হাতে অনেকেই
জিম্মী থাকায় যেন বিষয়টি দেখার কেউ নেই। স্থানীয়দের অভিমত, ম্যানেজের নামে
উপরের থেকে নিচে সবাই বুক তাই নীরব।
আরো খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই মেলা যদিও হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় মসজিদ
এবং মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য। কিন্তু বর্তমানে এই মেলাকে কেন্দ্র করে কোটি
কোটি টাকার বানিজ্য হচ্ছে। যার ছিটে ফোটা ভাগও পায় না এই দুই প্রতিষ্ঠান
। রাজনৈতিক লোকজন প্রশাসনের কথিত লোকজন ম্যানেজ করে নিজেরাই
ভাগাভাগি করে নেয় সব টাকা। মেলায় আগত ব্যবসায়ীরা নানা রকমভাবে হয়রানীর
স্বীকার হয় মেলা কমিটি এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা। অথচ যার কোন
প্রতিকার দৃশ্যমান নয় এখন পর্যন্ত। অভিযোগ, এই মেলার আধিপত্যকে কেন্দ্র
করে গত চার বছর আগে একই পরিবারের ৬ জনসহ মোট ৭জন নিহতের ঘটনা ঘটে।
২০২২ সালে নানা অনিয়মের কারনে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.
ইমরান হোসেন ২৪ঘন্টার মধ্যে মেলা বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন। একই সময় মেলার
অনিয়মের কারনে সালে স্থানীয় ইউপি সদস্য ওবায়দুল হক হিরনসহ ২জনকে আটক
করে ভ্রাম্যমান আদালত। পরে তাদের মেলা বন্ধের শর্তে মুছরেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া
হয়। এ ছাড়া গত বছর মেলায় বেপরোয়া জুয়ার আসর বসানো হলে চট্টগ্রাম রেঞ্জের
ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন’র নির্দেশে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ মেলার আসর
ভেঙ্গে ও মেলা বন্ধ করে দেয়। এলাকাবাসীরা জানায়, গত কয়েক বছর থেকে মেলাকে
কেন্দ্র করে চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় আদিপত্য বিস্তার, কর্ত্তৃত্বের লড়াইয়ে পাল্টা পাল্টি
মেলা কমিটি, পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এক সপ্তাহের কথা বলা হলেও প্রতিবছর মেলা চলে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে।
এছাড়া মেলায় নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে উঠতি বয়সী কিশোররা। জান
ও মালের নিরাপত্তা হুমকিতে থাকে গ্রামের সাধারন মানুষ।
বিষয়টি নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এমাদাদুল হক জানায়,
অনুমতি ছাড়া কোনো মতেই মেলা নয়। ইতমিধ্যে বসানো দোকান পাঠ উচ্ছেদ
করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে
কঠোর পদক্ষেপের কথা জানান তিনি।