০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রশাসন ট্যাক্সের টাকায় চলে, কি করে রাষ্ট্রের সম্পদ অপচয় করে? 

প্রশাসন জনগনের টেক্সের টাকায় চলে, আবার কি করে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় করে? এমন বক্তব্য প্রদান করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ-রাসায়ন ও অনুপ্রাণ বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড.গোলাম কবীর।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেস্বর) বেলা ২ ঘটিকার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু চত্বরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে চবি শিক্ষক সমিতির আয়োজিত তৃতীয় দিনের অবস্থান কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, এই প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর এরা প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজকে বিভিন্নভবে হেনস্তা করতেছে। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এটা আর মেনে নিবে না। শিক্ষক সমিতির অবস্থান কর্মসূচিকে বাঞ্চাল করার জন্য প্রশাসন ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ নামে কন্সার্ট আয়োজন করে। নিজেরা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলে,আবার কি করে রাষ্ট্রের সম্পদ অপচয় করে? তারা এই উৎসব করতে এত আগ্রহী কেন?
অবস্থান কর্মসূচিতে আইন সাবেক ডিন প্রফেসর আবু নোমান বলেন, আপনি আমাদের নামে ভুয়া নিউজ করাচ্ছেন  মনে রাখবেন,আপনার যত অপকর্ম আছে তার জন্য এক হাজার নিউজ হবে। আপনার নিয়োগ বাণিজ্য অপকর্ম আজ আয়ত্ত্বের বাহিরে চলে গেছে। আপনি মুখে বলেন এক আর কথা ও কাজে তার ভিন্ন জিনিস প্রকাশ করেন। আপনার শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক জনাব হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে ক্লাস বাদ দিয়ে খেয়ে দেয়ে আর কাজ নাই যার কারণে এখনে আন্দোলন করবো! আমরা প্রত্যক শিক্ষক,শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ৩০০ ভোটেরও বেশি ভোট পেয়ে সদস্য পদ লাভ করি। এই থেকে বুঝা যায় সাধারণ শিক্ষক আমাদের উপর আস্থা আছে। তিনি আরও বলেন বিশ্ববদ্যালয়ের পরিচলানার জন্য বঙ্গবন্ধু ৭৩’এর এ্যাক্ট দিয়েছিলেন। আর যে ৭৩’এর এয়াক্ট মানবেনা সে এখানে প্রশাসনের দায়িত্বে বসার অধিকার রাখেনা।
মেরিন সাইন্স বিভাগের শিক্ষক ড.  মোহাম্মদ শহিদুল আলম শাহীন বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে দুর্নীতি মুক্ত করে আল্লাহরওয়াস্তে চলে যান। আপনারা আজ বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘুষের কেন্দ্র বানিয়ে পেলেছেন। আমার বাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে এখানের স্থানীয় মানুষ এসে বলে আমাদেরকে একটা চাকরী দেন আমরা আপনাদেরকে ৫ লাখ, ৬লাখ টাকা দিব। আমি কি করে বুঝাবো আমরা ঘুষখোর নয়। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইন্টারভিউ কার্ড নিতে টাকা লাগে। আমরা কোথায় আছি?
চবি শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি মো. আলাউদ্দিন বলেন, নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি আমরা। ‘কেমন আছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়? ‘ নামে আগামী সোমবার একটি গণ সংযোগ প্রদর্শনীর আয়োজন করবো। আগামী সোমবার থেকে আবার আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

প্রশাসন ট্যাক্সের টাকায় চলে, কি করে রাষ্ট্রের সম্পদ অপচয় করে? 

আপডেট সময় : ০৬:৪১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪
প্রশাসন জনগনের টেক্সের টাকায় চলে, আবার কি করে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় করে? এমন বক্তব্য প্রদান করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ-রাসায়ন ও অনুপ্রাণ বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড.গোলাম কবীর।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেস্বর) বেলা ২ ঘটিকার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু চত্বরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে চবি শিক্ষক সমিতির আয়োজিত তৃতীয় দিনের অবস্থান কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, এই প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর এরা প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজকে বিভিন্নভবে হেনস্তা করতেছে। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এটা আর মেনে নিবে না। শিক্ষক সমিতির অবস্থান কর্মসূচিকে বাঞ্চাল করার জন্য প্রশাসন ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ নামে কন্সার্ট আয়োজন করে। নিজেরা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলে,আবার কি করে রাষ্ট্রের সম্পদ অপচয় করে? তারা এই উৎসব করতে এত আগ্রহী কেন?
অবস্থান কর্মসূচিতে আইন সাবেক ডিন প্রফেসর আবু নোমান বলেন, আপনি আমাদের নামে ভুয়া নিউজ করাচ্ছেন  মনে রাখবেন,আপনার যত অপকর্ম আছে তার জন্য এক হাজার নিউজ হবে। আপনার নিয়োগ বাণিজ্য অপকর্ম আজ আয়ত্ত্বের বাহিরে চলে গেছে। আপনি মুখে বলেন এক আর কথা ও কাজে তার ভিন্ন জিনিস প্রকাশ করেন। আপনার শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক জনাব হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে ক্লাস বাদ দিয়ে খেয়ে দেয়ে আর কাজ নাই যার কারণে এখনে আন্দোলন করবো! আমরা প্রত্যক শিক্ষক,শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ৩০০ ভোটেরও বেশি ভোট পেয়ে সদস্য পদ লাভ করি। এই থেকে বুঝা যায় সাধারণ শিক্ষক আমাদের উপর আস্থা আছে। তিনি আরও বলেন বিশ্ববদ্যালয়ের পরিচলানার জন্য বঙ্গবন্ধু ৭৩’এর এ্যাক্ট দিয়েছিলেন। আর যে ৭৩’এর এয়াক্ট মানবেনা সে এখানে প্রশাসনের দায়িত্বে বসার অধিকার রাখেনা।
মেরিন সাইন্স বিভাগের শিক্ষক ড.  মোহাম্মদ শহিদুল আলম শাহীন বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে দুর্নীতি মুক্ত করে আল্লাহরওয়াস্তে চলে যান। আপনারা আজ বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘুষের কেন্দ্র বানিয়ে পেলেছেন। আমার বাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে এখানের স্থানীয় মানুষ এসে বলে আমাদেরকে একটা চাকরী দেন আমরা আপনাদেরকে ৫ লাখ, ৬লাখ টাকা দিব। আমি কি করে বুঝাবো আমরা ঘুষখোর নয়। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইন্টারভিউ কার্ড নিতে টাকা লাগে। আমরা কোথায় আছি?
চবি শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি মো. আলাউদ্দিন বলেন, নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি আমরা। ‘কেমন আছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়? ‘ নামে আগামী সোমবার একটি গণ সংযোগ প্রদর্শনীর আয়োজন করবো। আগামী সোমবার থেকে আবার আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে।