০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই কর্মীকে কুপিয়ে জখম

চুয়াডাঙ্গায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই কর্মীকে কুপিয়ে জখম ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কবিখালি গ্রামের রিয়াজুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা (৩৫) ও একই গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে নয়ন মিয়া (৩০)।

শনিবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের কবিখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী।

গুরুতর জখম নয়ন মিয়ার পিতা শুকুর আলী জানান, ‘নির্বাচনে আমার ছেলে নয়ন স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলীপ কুমার আগরওয়ালার ঈগল প্রতীকের এজেন্ট ছিল। এ কারণে প্রতিপক্ষ নৌকা প্রতীকের ২০-২৫ জন কর্মী আজ সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এবং আমার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীকের অন্যতম প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা সদরের মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘ঈগল প্রতীকের পক্ষে কাজ করায় আমাদের দুই কর্মীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে নৌকার সমর্থকরা। এছাড়া সোহেল রানা ও নয়নকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহরাব হোসেন বলেন, ‘নয়নের মাথা ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছে। ক্ষতস্থানে ১৫-২০টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি শঙ্কামুক্ত কি না, এখনি বলা সম্ভব নয়। আর সোহেল রানার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ভর্তি রাখা হয়েছে।’

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, ‘এ ঘটনা শোনামাত্রই আমি হাসপাতালে গিয়ে আহত দুজনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছিলেন। বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা সম্পর্কে আমার জানা নেই। আহত ব্যক্তিরা থানায় অভিযোগ করলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিবিতে শুরু হলো প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতের প্রদর্শনী

চুয়াডাঙ্গায় পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই কর্মীকে কুপিয়ে জখম

আপডেট সময় : ১১:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪

চুয়াডাঙ্গায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই কর্মীকে কুপিয়ে জখম ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কবিখালি গ্রামের রিয়াজুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা (৩৫) ও একই গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে নয়ন মিয়া (৩০)।

শনিবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের কবিখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী।

গুরুতর জখম নয়ন মিয়ার পিতা শুকুর আলী জানান, ‘নির্বাচনে আমার ছেলে নয়ন স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলীপ কুমার আগরওয়ালার ঈগল প্রতীকের এজেন্ট ছিল। এ কারণে প্রতিপক্ষ নৌকা প্রতীকের ২০-২৫ জন কর্মী আজ সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এবং আমার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীকের অন্যতম প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা সদরের মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘ঈগল প্রতীকের পক্ষে কাজ করায় আমাদের দুই কর্মীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে নৌকার সমর্থকরা। এছাড়া সোহেল রানা ও নয়নকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহরাব হোসেন বলেন, ‘নয়নের মাথা ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছে। ক্ষতস্থানে ১৫-২০টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি শঙ্কামুক্ত কি না, এখনি বলা সম্ভব নয়। আর সোহেল রানার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ভর্তি রাখা হয়েছে।’

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, ‘এ ঘটনা শোনামাত্রই আমি হাসপাতালে গিয়ে আহত দুজনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছিলেন। বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা সম্পর্কে আমার জানা নেই। আহত ব্যক্তিরা থানায় অভিযোগ করলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।