১২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে পৌঁছেছে বিএসএফের গুলিতে নিহত বিজিবি সদস্যের লাশ

যশোরের বেনাপোলর ধান্যখোলা জেলেপাড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য রইস উদ্দীনের (২৫) লাশ বাংলাদেশে পৌঁছেছে।
আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) ভারতের বনগাঁয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সকালে তার লাশ ফেরত দেয়া হয়। ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্নেল জামিল ও বিজিবির সহকারী পরিচালক মাসুদ রানা আনুষ্ঠানিকভাবে রইস উদ্দীনের লাশ গ্রহণ করেন।
দুপুর ১ টার দিকে লাশের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী। নিহত রইস উদ্দীন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকা সাহাপাড়ার শ্যামপুর গ্রামের কামরুজ্জামানের ছোট ছেলে।
আরএমও ডা. পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী জানান, বেলা ১১ টার দিকে রইস উদ্দীনের লাশ মর্গে আনা হয়। পরে  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিদ হাসানের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি হয়। সেখানে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। আইনের প্রক্রিয়া   ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক বাবুল কিশোর লাশের ময়নাতন্ত সম্পন্ন করেন।
তিনি জানান, নিহত রইস উদ্দীনের নাভির নিচে (ডানপাশের অংশে) গুলির চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে বিজিবি সদস্যরা তার লাশ নিয়ে যান যশোর ঝুমঝুমপুর বিজিবি ক্যাম্পে। সেখানে দুপুর ২ টার পর জানাযার নামায শেষে  রইস উদ্দীনের লাশ নিজ বাড়ির উদ্দেশ্য পাঠানো হয় বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন  ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্নেল জামিল।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৩ জানুযারি) বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিলো, সোমবার (২২ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট-সংলগ্ন এলাকায় একদল গরু চোরাকারবারিকে ভারত সীমান্ত অতিক্রম করে আসতে দেখে বিজিবির টহল দল। এ সময় টহল দলের সদস্যরা তাদের ধাওয়া দিলে দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। টহল দলের সদস্য  রইস উদ্দীন চোরাকারবারিদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দলছুট হয়ে পড়েন। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরে জানা যায়, বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখানেই তিনি মারা যান। নিহত বিজিবি সদস্য দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
স/মিফা
জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিবিতে শুরু হলো প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতের প্রদর্শনী

দেশে পৌঁছেছে বিএসএফের গুলিতে নিহত বিজিবি সদস্যের লাশ

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪
যশোরের বেনাপোলর ধান্যখোলা জেলেপাড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য রইস উদ্দীনের (২৫) লাশ বাংলাদেশে পৌঁছেছে।
আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) ভারতের বনগাঁয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সকালে তার লাশ ফেরত দেয়া হয়। ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্নেল জামিল ও বিজিবির সহকারী পরিচালক মাসুদ রানা আনুষ্ঠানিকভাবে রইস উদ্দীনের লাশ গ্রহণ করেন।
দুপুর ১ টার দিকে লাশের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী। নিহত রইস উদ্দীন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকা সাহাপাড়ার শ্যামপুর গ্রামের কামরুজ্জামানের ছোট ছেলে।
আরএমও ডা. পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী জানান, বেলা ১১ টার দিকে রইস উদ্দীনের লাশ মর্গে আনা হয়। পরে  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিদ হাসানের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি হয়। সেখানে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। আইনের প্রক্রিয়া   ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক বাবুল কিশোর লাশের ময়নাতন্ত সম্পন্ন করেন।
তিনি জানান, নিহত রইস উদ্দীনের নাভির নিচে (ডানপাশের অংশে) গুলির চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে বিজিবি সদস্যরা তার লাশ নিয়ে যান যশোর ঝুমঝুমপুর বিজিবি ক্যাম্পে। সেখানে দুপুর ২ টার পর জানাযার নামায শেষে  রইস উদ্দীনের লাশ নিজ বাড়ির উদ্দেশ্য পাঠানো হয় বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন  ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্নেল জামিল।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৩ জানুযারি) বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিলো, সোমবার (২২ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট-সংলগ্ন এলাকায় একদল গরু চোরাকারবারিকে ভারত সীমান্ত অতিক্রম করে আসতে দেখে বিজিবির টহল দল। এ সময় টহল দলের সদস্যরা তাদের ধাওয়া দিলে দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। টহল দলের সদস্য  রইস উদ্দীন চোরাকারবারিদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দলছুট হয়ে পড়েন। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরে জানা যায়, বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখানেই তিনি মারা যান। নিহত বিজিবি সদস্য দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
স/মিফা