গত মঙ্গলবার রাজারহাট উপজেলা বাজারে নকল কীটনাশক ও সার বিক্রির সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাশেদুজ্জামান আসাদ (৪০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। পরে বুধবার বিকেলে ভোক্তা অধিকার ও কৃষি সম্প্রসারণের গবেষণায় সার ও কীটনাশকগুলো নকল প্রমাণিত হওয়ায় সেগুলো জব্দ করা হয়। পুলিশ, ভোক্তা অধিকার ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে রাজারহাট উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মেকুরটারি গ্রামের শাহীন মিয়ার বাড়ি থেকে উক্ত কারবারিকে আটক সহ ভেজাল সার ও কীটনাশক উদ্ধার করে প্রশাসন। ওই বাড়িতে ভাড়া থেকে অভিযুক্ত রাশেদুজ্জামান আসাদ নকল সার ও কীটনাশক বিক্রি করে আসছিল। সে রংপুরের হারাগাছ থানার সারাই নতুন বাজার এলাকার মৃত সামছুজ্জামানের পুত্র বলে জানা গেছে। এসময় তার কাছ থেকে রিয়েল ফার্টিলাইজার, সামির এগ্রো,যমুনা ফার্টিলাইজার ও বিসমিল্লাহ কর্পোরেশন লিমিটেড বাজারজাতকরণ কোম্পানির নামে বিকো জিপসাম ৫ কেজি প্যাকেট ৬৮ টি, রেজিঃ হোল্ডার,বোরন (সালুবোর বোরন) ১ কেজি মোট= ৫৫০ টি,চমক ফুরান (কার্ব ফুরান দানাদার কিটনাশক নিমাটোডনাশক)১ কেজি প্যাকেট ৯০ টি, কৃষান জিংক (জিংক সালফেট মনো হাইড্রেট কিউ ৩৬%) ০১ কেজি প্যাকেট ৪০০টি,চমক বোরন (সালুবোর বোরন ১৭%) ০১ কেজি প্যাকেট ১৭০ টি, জব্দ করা হয়।পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জব্দকৃত সার ও কীটনাশক সমূহ ভেজাল প্রমাণিত হওয়ায় এএসএম মাসুম উদ দৌলা, সহকারী পরিচালক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম অভিযুক্ত মোঃ রাশেদুজ্জামান কে নগদ ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করেন।
জব্দকৃত ভেজাল সার ও কীটনাশক সমূহ ধ্বংস করার সময় রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার সাথী,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হৈমন্তী রাণী,রাজারহাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সহ উপস্থিত জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।























