১০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পুলিশ পরিদর্শক হত্যা: আরাভের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য

পুলিশ পরিদর্শক মামুন হত্যা মামলায় আসামি দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম। তিনি আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফয়সল আতিক বিন কাদেরের আদালতে সাক্ষ্য দেন তিনি। এরপর তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এরপর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।
এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন আদালতে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আবেদন মঞ্জুর করে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফয়সল আতিক বিন কাদেরের আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের নতুন এদিন ধার্য করেন।
সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। মামলাটিতে মোট ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। এ মামলায় মোট সাক্ষীর সংখ্যা ৩৮ জন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আবদুস সাত্তার দুলাল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আরাভ খান বাদে মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সুরাইয়া আক্তার কেয়া, রহমত উল্লাহ, স্বপন সরকার, মিজান শেখ, আতিক হাসান, সারোয়ার হাসান ও দিদার পাঠান। এর মধ্যে রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান ও সুরাইয়া আক্তার কেয়া পলাতক। কারাগারে থাকা বাকি ছয় আসামি এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এই মামলার অপ্রাপ্ত বয়স্ক দুই আসামি মেহেরুন্নেছা স্বর্ণা ওরফে আফরিন ওরফে আন্নাফী ও মোছা. ফারিয়া বিনতে মিম। তাদের বিরুদ্ধে ভিন্ন দোষীপত্র দাখিল করা হয়। তাদের বিচার শিশু আদালতে চলমান।
২০১৮ সালের ৯ জুলাই গাজীপুরের জঙ্গল থেকে মামুন ইমরান খানের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় মামুনের ভাই জাহাঙ্গীর আলম খান বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক শেখ মাহবুবুর রহমান ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন আদালত।
স/মিফা

পুলিশ পরিদর্শক হত্যা: আরাভের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৮:২১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪
পুলিশ পরিদর্শক মামুন হত্যা মামলায় আসামি দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম। তিনি আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফয়সল আতিক বিন কাদেরের আদালতে সাক্ষ্য দেন তিনি। এরপর তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এরপর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।
এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন আদালতে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আবেদন মঞ্জুর করে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফয়সল আতিক বিন কাদেরের আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের নতুন এদিন ধার্য করেন।
সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। মামলাটিতে মোট ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। এ মামলায় মোট সাক্ষীর সংখ্যা ৩৮ জন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আবদুস সাত্তার দুলাল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আরাভ খান বাদে মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সুরাইয়া আক্তার কেয়া, রহমত উল্লাহ, স্বপন সরকার, মিজান শেখ, আতিক হাসান, সারোয়ার হাসান ও দিদার পাঠান। এর মধ্যে রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান ও সুরাইয়া আক্তার কেয়া পলাতক। কারাগারে থাকা বাকি ছয় আসামি এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এই মামলার অপ্রাপ্ত বয়স্ক দুই আসামি মেহেরুন্নেছা স্বর্ণা ওরফে আফরিন ওরফে আন্নাফী ও মোছা. ফারিয়া বিনতে মিম। তাদের বিরুদ্ধে ভিন্ন দোষীপত্র দাখিল করা হয়। তাদের বিচার শিশু আদালতে চলমান।
২০১৮ সালের ৯ জুলাই গাজীপুরের জঙ্গল থেকে মামুন ইমরান খানের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় মামুনের ভাই জাহাঙ্গীর আলম খান বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক শেখ মাহবুবুর রহমান ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন আদালত।
স/মিফা