১০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষের উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ব্লকে ধান চাষের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন।

এই পদ্ধতিতে ধান চাষ করলে উৎপাদন খরচ কম হবে এবং কৃষক লাভবান হবে। এতে বোরো ধানের আবাদ নতুন সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। বীজতলা তৈরী করা হয়েছে প্লাস্টিকের ট্রে-তে। এতে ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা মাঠে লাগানোর উপযোগী হয়। আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে জমিতে লাগানো হচ্ছে ধানের বীজ। উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের ধানের বীজ ব্যবহার করায় ১৪০ থেকে ১৪৫ দিনের মধ্যে ফসল ঘরে তোলা সম্ভব হবে। এছাড়া ধান কাটা, মাড়াই কাজে  ব্যবহার করা হবে কৃষি যন্ত্র। এতে ধানের উৎপাদন খরচ অর্ধেকের নিচে নেমে আসবে। এতে কৃষক অধিক লাভবান হবে।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকের চাষাবাদের যাবতীয় খরচ বহন করবে সরকার। কৃষক শুধু খেতে পানি ও পরিচর্যা করবে। এ প্রকল্প থেকে আধুনিক চাষাবাদের ধারণা পাওয়া যাবে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম খরচে বেশি ফলন ফলানো যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত বলেন, কৃষক পর্যায়ে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বোরো ধানের সমলয়ে চাষাবাদের প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: মনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আনোয়ার সাদাত, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাসিম রেজা নুর দিপু, বহুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন শেখ, উপকারভোগী কৃষকেরা।

২০২৩ অর্থ বছরে কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় সদর উপজেলায় ৪হাজার ৫০০পি ট্রে-তে ধানের বিজতলা তৈরী করা হয়েছে। হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের সমলয়ে চাষাবাদ করা হচ্ছে। এই বীজ ১৫০ বিঘা জমিতে রোপন করা হবে।

সিরাজগঞ্জে সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৭:২১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ব্লকে ধান চাষের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন।

এই পদ্ধতিতে ধান চাষ করলে উৎপাদন খরচ কম হবে এবং কৃষক লাভবান হবে। এতে বোরো ধানের আবাদ নতুন সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। বীজতলা তৈরী করা হয়েছে প্লাস্টিকের ট্রে-তে। এতে ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা মাঠে লাগানোর উপযোগী হয়। আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে জমিতে লাগানো হচ্ছে ধানের বীজ। উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের ধানের বীজ ব্যবহার করায় ১৪০ থেকে ১৪৫ দিনের মধ্যে ফসল ঘরে তোলা সম্ভব হবে। এছাড়া ধান কাটা, মাড়াই কাজে  ব্যবহার করা হবে কৃষি যন্ত্র। এতে ধানের উৎপাদন খরচ অর্ধেকের নিচে নেমে আসবে। এতে কৃষক অধিক লাভবান হবে।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকের চাষাবাদের যাবতীয় খরচ বহন করবে সরকার। কৃষক শুধু খেতে পানি ও পরিচর্যা করবে। এ প্রকল্প থেকে আধুনিক চাষাবাদের ধারণা পাওয়া যাবে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম খরচে বেশি ফলন ফলানো যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত বলেন, কৃষক পর্যায়ে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বোরো ধানের সমলয়ে চাষাবাদের প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: মনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আনোয়ার সাদাত, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাসিম রেজা নুর দিপু, বহুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন শেখ, উপকারভোগী কৃষকেরা।

২০২৩ অর্থ বছরে কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় সদর উপজেলায় ৪হাজার ৫০০পি ট্রে-তে ধানের বিজতলা তৈরী করা হয়েছে। হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের সমলয়ে চাষাবাদ করা হচ্ছে। এই বীজ ১৫০ বিঘা জমিতে রোপন করা হবে।