০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের মসজিদে ‘প্রোডাক্টিভ রামাদান’ শীর্ষক আলোচনা সভাকে কেন্দ্র করে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনার বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বিভাগটির বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, বুধবার বঙ্গবন্ধু টাওয়ারে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগত ছাত্রলীগের কর্মীদের যে হামলা হয়েছে, সেটি বর্বরোচিত ও ফৌজদারি অপরাধ।

‘বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেরে যাবে, এখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কিছু করার নাই? আমরা চাই এটার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হোক’
তিনি বলেন, যখন কাউকে মারা হয় তখন মারধরকে বৈধতা দিতে ভুক্তভোগীদের ‘শিবির’ ট্যাগ দেওয়া হয়। আপনাদের এত শিবিরভীতি থাকলে শিবির নিষিদ্ধ করেন না কেন? একটা সংগঠন নিষিদ্ধ না হয়েও যে-ই সংগঠন করে তাকে আপনারা মারতে পারেন না। আন্দাজ করেও মারা যাবে না। এটা আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ।
এ সময় ছাত্রলীগের উচ্চপদস্থ নেতৃবৃন্দের কাছে হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বহিষ্কার করার দাবি জানান তিনি।

আইন বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাদেকুন নাহার বলেন, মসজিদ থেকে বের করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগত ছাত্রলীগ দিয়ে পেটানোর ঘটনাকে কোনোভাবেই ‘জাস্টিফাই’ করা যায় না। আমাদের ভাইদের ওপর এরকম ন্যক্কারজনক হামলা পুরোপুরি অবৈধ।

বুধবার দুপুরে জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের মসজিদে রমজান বিষয়ক ধর্মীয় আলোচনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একদল শিক্ষার্থীর ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ উঠে।

হামলায় শাহবাগ থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাওহিদুল ইসলাম সুজন নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে। ঘটনায় বঙ্গবন্ধু টাওয়ার কল্যাণ সমিতির সভাপতি সিরাজুল হক সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি

আপডেট সময় : ০৬:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের মসজিদে ‘প্রোডাক্টিভ রামাদান’ শীর্ষক আলোচনা সভাকে কেন্দ্র করে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনার বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বিভাগটির বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, বুধবার বঙ্গবন্ধু টাওয়ারে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগত ছাত্রলীগের কর্মীদের যে হামলা হয়েছে, সেটি বর্বরোচিত ও ফৌজদারি অপরাধ।

‘বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেরে যাবে, এখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কিছু করার নাই? আমরা চাই এটার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হোক’
তিনি বলেন, যখন কাউকে মারা হয় তখন মারধরকে বৈধতা দিতে ভুক্তভোগীদের ‘শিবির’ ট্যাগ দেওয়া হয়। আপনাদের এত শিবিরভীতি থাকলে শিবির নিষিদ্ধ করেন না কেন? একটা সংগঠন নিষিদ্ধ না হয়েও যে-ই সংগঠন করে তাকে আপনারা মারতে পারেন না। আন্দাজ করেও মারা যাবে না। এটা আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ।
এ সময় ছাত্রলীগের উচ্চপদস্থ নেতৃবৃন্দের কাছে হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বহিষ্কার করার দাবি জানান তিনি।

আইন বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাদেকুন নাহার বলেন, মসজিদ থেকে বের করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগত ছাত্রলীগ দিয়ে পেটানোর ঘটনাকে কোনোভাবেই ‘জাস্টিফাই’ করা যায় না। আমাদের ভাইদের ওপর এরকম ন্যক্কারজনক হামলা পুরোপুরি অবৈধ।

বুধবার দুপুরে জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের মসজিদে রমজান বিষয়ক ধর্মীয় আলোচনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একদল শিক্ষার্থীর ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ উঠে।

হামলায় শাহবাগ থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাওহিদুল ইসলাম সুজন নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে। ঘটনায় বঙ্গবন্ধু টাওয়ার কল্যাণ সমিতির সভাপতি সিরাজুল হক সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা দাবি।