০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে দোল উৎসবের রংয়ে রাঙ্গালো হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা

 

আজ ১১ চৈত্র দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে পালিত হলো দোলপূজা। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে ছোট শিশু থেকে শুরু করে তরুন-তরুণী, যুবক-যুবতী, এমন কি প্রবীণরাও মেতে উঠে রং দেওয়া-নেওয়ার খেলায়।

জানা যায়, চৈত্র মাসের ১১ তারিখ এলেই নানা বাহারি রং নিয়ে ভক্তরা মন্দিরে জড়ো হতে শুরু করে আনন্দ উৎসব ও পুজা পালনের উদ্দেশ্যে। এবার তিথি অনুযায়ি সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে এ পুজা। এই সময় থেকেই শুরু হয় রং খেলা। প্রায় তিন দিন আবার অনেকের মতে পাঁচ দিন ধরে  চলে এ উৎসব।

জামালপুর শহরের দয়াময়ী মন্দিরে আসা প্রতিকা বনিকের কাছে এই দোল পূজা ও রংয়ের উৎসবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক সবুজ বাংলাকে জানান, শ্রী কৃষ্ণ ও রাধা দোল যাত্রার প্রেমের প্রতিক হিসেবে এই দিনটি পালন করা হয়।

মন্দিরে আসা আরেক ভক্ত দৈনিক সবুজ বাংলাকে জানান, বসন্তকালে শ্রী কৃষ্ণ তার সখী রাধা এবং অন্যান্য সখিদের সাথে নিয়ে তিন দিন রং খেলে। এটাকে কেন্দ্র করেই এই দোল পূজা উৎযাপন করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এই দিনে দেব দেবতার  পায়ে আবীর দেয়। এ সময়ে তার জন্য ভক্তরা মন্দিরে রাজভোগ উৎসর্গ করে।

তিনি আক্ষেপ করে আরো বলেন, এক সময় এই পূজোর সময়ে মন্দিরে ও বাড়ি বাড়ি কীর্তন হতো, কালক্রমে এগুলো বিলুপ্তের পথে। কারণ হিসেবে জানান হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা কমে আসছে। অনেকে আবার দেশ ছেড়ে চলে যাওটাও উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে দোল উৎসবের রংয়ে রাঙ্গালো হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

 

আজ ১১ চৈত্র দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে পালিত হলো দোলপূজা। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে ছোট শিশু থেকে শুরু করে তরুন-তরুণী, যুবক-যুবতী, এমন কি প্রবীণরাও মেতে উঠে রং দেওয়া-নেওয়ার খেলায়।

জানা যায়, চৈত্র মাসের ১১ তারিখ এলেই নানা বাহারি রং নিয়ে ভক্তরা মন্দিরে জড়ো হতে শুরু করে আনন্দ উৎসব ও পুজা পালনের উদ্দেশ্যে। এবার তিথি অনুযায়ি সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে এ পুজা। এই সময় থেকেই শুরু হয় রং খেলা। প্রায় তিন দিন আবার অনেকের মতে পাঁচ দিন ধরে  চলে এ উৎসব।

জামালপুর শহরের দয়াময়ী মন্দিরে আসা প্রতিকা বনিকের কাছে এই দোল পূজা ও রংয়ের উৎসবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক সবুজ বাংলাকে জানান, শ্রী কৃষ্ণ ও রাধা দোল যাত্রার প্রেমের প্রতিক হিসেবে এই দিনটি পালন করা হয়।

মন্দিরে আসা আরেক ভক্ত দৈনিক সবুজ বাংলাকে জানান, বসন্তকালে শ্রী কৃষ্ণ তার সখী রাধা এবং অন্যান্য সখিদের সাথে নিয়ে তিন দিন রং খেলে। এটাকে কেন্দ্র করেই এই দোল পূজা উৎযাপন করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এই দিনে দেব দেবতার  পায়ে আবীর দেয়। এ সময়ে তার জন্য ভক্তরা মন্দিরে রাজভোগ উৎসর্গ করে।

তিনি আক্ষেপ করে আরো বলেন, এক সময় এই পূজোর সময়ে মন্দিরে ও বাড়ি বাড়ি কীর্তন হতো, কালক্রমে এগুলো বিলুপ্তের পথে। কারণ হিসেবে জানান হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা কমে আসছে। অনেকে আবার দেশ ছেড়ে চলে যাওটাও উল্লেখ করেন।