নওগাঁর বদলগাছীতে মাদ্রাসার আয়া পদে নিয়োগ দেখিয়ে এমপিও করণের জন্য ভূয়া কাগজ দাখিল করার অভিযোগ উঠেছে দাউদপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে অত্র মাদ্রাসার অফিস সহকারি আসাদুজ্জামান বাদি হয়ে আয়া পদে সুপারিশ প্রাপ্ত শারমিন সুলতানার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, বদলগাছী উপজেলার সদর ইউপির
দাউদপুর দাখিল মাদ্রাসার সৃষ্ট পদ আয়া পদে ২০২০সালে নিয়োগ কার্যক্রম হয়। নিয়োগ নিয়ে তৎকালীন সময়ে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নিয়োগটি ভেস্তে যায় বলে অভিযোগ তুলেছেন ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারি আসাদ।পরে ২০২৩ সালে সেকেন্দার আলীকে মাদ্রাসার সুপার নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমান মাদ্রাসার নতুন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের যোগসাজশে মাদ্রাসা সুপার সেকেন্দার আলী আয়া পদে তার সাক্ষরিত নিয়োগ পত্র, যোগদান পত্র তৈরি করে শারমিন সুলতানার এমপিও করার জন্য অনলাইনে ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। এবিষয়ে অভিযোগকারী আসাদুজ্জামান বলেন,কয়েক বছর পূর্বে দাউদপুর মাদ্রাসার আয়া পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া পূর্বের ম্যানেজিং কমিটির দ্বন্দ্বে সে সময়ে ভেস্তে যায়। পরে মাদ্রাসার নতুন সুপার নিয়োগের পর নতুন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে বর্তমান সুপার সেকেন্দার আলী যোগসাজশ করে মোটাঅঙ্কের উৎকোচ নিয়ে ভূয়া নিয়োগ প্রক্রিয়া দেখান। ভূয়া নিয়োগ দেখিয়ে ভুল তথ্য প্রদান করে আয়া পদে শারমিন সুলতানার নাম সুপারিশ করেন এবং এমপিও জন্য অনলাইনে আবেদন করেন। বিষয়টি আমার নজরে আসলে আমি আয়া পদের এমপিও জন্য আবেদন পাঠানোর বিষয়টির ঘোরবিরুদ্বিতা করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এবিষয়ে শারমিন সুলতানা বলেন, নিয়ম মেনে বিধি মোতাবেক আয়া পদে আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম বলেন, দাউদপুর দাখিল মাদ্রাসার আয়া পদে ভূয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত চলছে।























