০৭:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত জবি শিক্ষককে শাস্তি

◉আরেক শিক্ষককে কারণ দর্র্শানোর নোটিস
◉ অবন্তিকার মৃত্যুর তদন্তে ধীরগতি

 

 

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাণিক মুনসীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যৌন হয়রানির ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে স্থায়ী বহিষ্কার কেন করা হবে না জানতে চেয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তাকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হলো।

 

গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিন্ডিকেটের সদস্য অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ জানান, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাণিক মুনসীর বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সিন্ডিকেটে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কেন স্থায়ী বরখাস্ত করা হবে না সেই জবাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পাওয়ায় সিন্ডিকেট সভায় ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিস অর্থাৎ কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত হবে না সেই জবাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগেই তাকে সাময়িক বহিষ্কার ও প্রথম নোটিস দেওয়া হয়েছিল।

 

তিনি আরো জানান, আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় তদন্ত কমিটি এখনো প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় এ বিষয়ে সিন্ডিকেট সভায় কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে সেই সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এছাড়া সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য জানান, বারবার শিক্ষা ছুটি নিয়ে তা শেষ হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে না আসায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হক শেখকে স্থায়ী বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। এছাড়া বিশ^বিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশে পরীক্ষায় নকল করার অপরাধে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করার সিদ্ধান্ত হয়। আর গত ৮ মার্চ গাজীপুরে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগ জবির ৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

গত বছরের সেপ্টেম্বরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের এক ছাত্রীর মানসিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ বি এস মাণিক মুনসীকে বিভাগের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর গত ২১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৪তম (জরুরি ভিত্তিতে ডাকা) সিন্ডিকেট সভায় ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

 

অবন্তিকার মৃত্যুর তদন্তে ধীরগতি : শিক্ষক-সহপাঠীকে অভিযুক্ত করে ফেসবুক দিয়ে জবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনার ১৯ দিন পার হলেও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত প্রতিবেদন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ঘটনার পরদিনই ৫ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটি বলছে প্রতিবেদন কবে জমা দিতে হবে তার স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা তাদের দেওয়া হয়নি।

 

গত ১৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকি আম্মান ও সাবেক সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে দায়ী করে কুমিল্লার নিজ বাড়িতে গলায় উড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা। এরপরই উত্তাল হয়ে পড়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন মধ্যরাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আশ্বাস দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। পরদিন ১৬ মার্চ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাকির হোসেনকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, এর আগেও বিভিন্ন ঘটনা তদন্ত কমিটি গঠন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিল। আজ পর্যন্ত সেসব তদন্তের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে অতিদ্রুত দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।

 

এবিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন বলেন, আমরা এখনও কাজ শেষ করতে পারিনি। তবে আমরা প্রতিদিনই এটা নিয়ে বসছি। এর আগে বর্তমান ও সাবেক প্রক্টর, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান, তৎকালীন প্রোভস্ট ও একজন হাউস টিউটরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল। নতুন কিছু ইনফরমেশনের জন্য আমরা আবারও বসেছি।

 

উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিলে সেই রিপোর্ট অত্যন্ত কাঁচা হয়। যেহেতু তদন্তের কাজ চলছে, আমাদের শিক্ষকরা কেউ বসে নেই। তদন্ত কমিটির আহ্বায়কসহ অন্য সদস্যদের নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করছেন। এরই মধ্যে কয়েকবার কুমিল্লাতেও গিয়েছেন তারা। আশা করছি, ঈদের পরপরই আমরা তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাবো।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত জবি শিক্ষককে শাস্তি

আপডেট সময় : ০৫:৪১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪

◉আরেক শিক্ষককে কারণ দর্র্শানোর নোটিস
◉ অবন্তিকার মৃত্যুর তদন্তে ধীরগতি

 

 

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাণিক মুনসীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যৌন হয়রানির ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে স্থায়ী বহিষ্কার কেন করা হবে না জানতে চেয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তাকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হলো।

 

গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিন্ডিকেটের সদস্য অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ জানান, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাণিক মুনসীর বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সিন্ডিকেটে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কেন স্থায়ী বরখাস্ত করা হবে না সেই জবাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পাওয়ায় সিন্ডিকেট সভায় ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিস অর্থাৎ কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত হবে না সেই জবাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগেই তাকে সাময়িক বহিষ্কার ও প্রথম নোটিস দেওয়া হয়েছিল।

 

তিনি আরো জানান, আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় তদন্ত কমিটি এখনো প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় এ বিষয়ে সিন্ডিকেট সভায় কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে সেই সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এছাড়া সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য জানান, বারবার শিক্ষা ছুটি নিয়ে তা শেষ হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে না আসায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হক শেখকে স্থায়ী বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। এছাড়া বিশ^বিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশে পরীক্ষায় নকল করার অপরাধে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করার সিদ্ধান্ত হয়। আর গত ৮ মার্চ গাজীপুরে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগ জবির ৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

গত বছরের সেপ্টেম্বরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের এক ছাত্রীর মানসিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ বি এস মাণিক মুনসীকে বিভাগের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর গত ২১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৪তম (জরুরি ভিত্তিতে ডাকা) সিন্ডিকেট সভায় ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

 

অবন্তিকার মৃত্যুর তদন্তে ধীরগতি : শিক্ষক-সহপাঠীকে অভিযুক্ত করে ফেসবুক দিয়ে জবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনার ১৯ দিন পার হলেও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত প্রতিবেদন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ঘটনার পরদিনই ৫ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটি বলছে প্রতিবেদন কবে জমা দিতে হবে তার স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা তাদের দেওয়া হয়নি।

 

গত ১৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকি আম্মান ও সাবেক সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে দায়ী করে কুমিল্লার নিজ বাড়িতে গলায় উড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা। এরপরই উত্তাল হয়ে পড়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন মধ্যরাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আশ্বাস দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। পরদিন ১৬ মার্চ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাকির হোসেনকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, এর আগেও বিভিন্ন ঘটনা তদন্ত কমিটি গঠন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিল। আজ পর্যন্ত সেসব তদন্তের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে অতিদ্রুত দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।

 

এবিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন বলেন, আমরা এখনও কাজ শেষ করতে পারিনি। তবে আমরা প্রতিদিনই এটা নিয়ে বসছি। এর আগে বর্তমান ও সাবেক প্রক্টর, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান, তৎকালীন প্রোভস্ট ও একজন হাউস টিউটরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল। নতুন কিছু ইনফরমেশনের জন্য আমরা আবারও বসেছি।

 

উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিলে সেই রিপোর্ট অত্যন্ত কাঁচা হয়। যেহেতু তদন্তের কাজ চলছে, আমাদের শিক্ষকরা কেউ বসে নেই। তদন্ত কমিটির আহ্বায়কসহ অন্য সদস্যদের নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করছেন। এরই মধ্যে কয়েকবার কুমিল্লাতেও গিয়েছেন তারা। আশা করছি, ঈদের পরপরই আমরা তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাবো।